২০৩০ সালে দুইবার রমজান, রোজা হবে ৩৬ দিন

Date: 2026-01-08
news-banner

অনলাইন ডেক্স:

ইসলামি চান্দ্র ক্যালেন্ডার ও গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডারের পার্থক্যের কারণে ২০৩০ সালে মুসলমানরা একই গ্রেগরিয়ান বছরে দুইবার রমজান মাস পালন করবেন। জ্যোতির্বিদ ও ইসলামি স্কলারদের মতে, এটি একটি বিরল হলেও পূর্বাভাসযোগ্য জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক ঘটনা।

ইসলামি ক্যালেন্ডার সৌর বছরের তুলনায় প্রায় ১১ দিন ছোট হওয়ায় প্রতি বছর রমজান এগিয়ে আসে। এই ধারাবাহিক পরিবর্তনের ফলেই ২০৩০ সালে প্রথম রমজান শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে ৫ জানুয়ারি (১৪৫১ হিজরি) এবং দ্বিতীয় রমজান শুরু হতে পারে একই বছরের ২৬ ডিসেম্বর (১৪৫২ হিজরি)।

এর ফলে ওই বছরে মুসলমানদের মোট ৩৬ দিন রোজা রাখতে হতে পারে। জানুয়ারিতে পূর্ণ ৩০ দিন এবং ডিসেম্বরের শেষ দিকে আরও ৬ দিন।

গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার সূর্যকে কেন্দ্র করে পৃথিবীর আবর্তনের ওপর ভিত্তি করে গঠিত হলেও ইসলামি ক্যালেন্ডার সম্পূর্ণভাবে চাঁদের গতিবিধির ওপর নির্ভরশীল। একটি চান্দ্র বছর ৩৫৪ দিনের হওয়ায় ইসলামি মাসগুলো প্রায় প্রতি ৩৩ বছরে একবার করে সব ঋতু অতিক্রম করে।

এর আগে একই গ্রেগরিয়ান বছরে দুইবার রমজান পড়েছিল ১৯৯৭ সালে। জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক হিসাব অনুযায়ী, ২০৩০ সালের পর আবার এমন ঘটনা ঘটবে ২০৬৩ সালে।

রমজান মাসে সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত রোজা রাখা মুসলমানদের জন্য ফরজ ইবাদত। তবে রমজান কোন ঋতুতে পড়ছে, তার ওপর রোজার দৈর্ঘ্য ও অভিজ্ঞতা ভিন্ন হয়। শীতকালে রোজার সময় তুলনামূলকভাবে কম হলেও গ্রীষ্মকালে কিছু অঞ্চলে তা ১৭ ঘণ্টার বেশি হতে পারে।

যদিও জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক গণনার মাধ্যমে রমজান শুরুর সম্ভাব্য সময় নির্ধারণ করা হয়, তবু চাঁদ দেখার ওপরই এর আনুষ্ঠানিক ঘোষণা নির্ভর করে। সৌদি আরবসহ অনেক দেশ সরাসরি চাঁদ দেখার পদ্ধতি অনুসরণ করে, অন্যদিকে কিছু দেশ বৈজ্ঞানিক হিসাবের ওপর নির্ভর করে থাকে।

এদিকে ২০২৬ সালে রমজান শুরুর সম্ভাব্য সময় ধরা হচ্ছে ১৭ থেকে ১৯ ফেব্রুয়ারির মধ্যে। সংযুক্ত আরব আমিরাতে রমজানের প্রথম দিন পড়তে পারে বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসবে দেশটির মুন-সাইটিং কমিটির ঘোষণার মাধ্যমে।

সূত্র- বিডিপ্রতিদিন/ গালফ নিউজ/ এম ডিউক

Leave Your Comments