অনলাইন
ডেক্স:
আধুনিক
যোগাযোগের এই যুগে হোয়াটসঅ্যাপ দৈনন্দিন জীবনে
আমাদের অবিচ্ছেদ্য অংশ। বন্ধু-বান্ধব, পরিবার কিংবা অফিস আদালতের সক ক্ষেত্রেই এই অ্যাপটি
যোগাযোগের প্রধান মাধ্যম হয়ে উঠেছে। তবে অনেক সময় হঠাৎ করে দেখা যায়, পরিচিত কেউ আর
মেসেজের উত্তর দিচ্ছেন না, দেখা যাচ্ছে না বা প্রোফাইলের ছবিটিও নাই। তখনই মনে প্রশ্ন জাগে-সে কি ব্লক করে দিয়েছেন আমাকে
?
ফেসবুকে
এই নোটিফিকেশন চালু থাকলেও হোয়াটসঅ্যাপ এ বিষয়ে কোনো নোটিফিকেশন না থাকায় বিষয়টি নিশ্চিত
করা কঠিন। তবে কিছু লক্ষণের মাধ্যমে একটি ধারণা পাওয়া যায়।
প্রধান
ও প্রথম লক্ষণ হিসেবে ধরা হয় ‘লাস্ট সিন’ বা অনলাইন স্ট্যাটাস। বারবার চেষ্টা করেও
যদি কোনোভাবেই তা দেখা না যায়, তাহলে সন্দেহের অবকাশ থাকে। যদিও অনেকেই প্রাইভেসি সেটিংসের
কারণে এই তথ্য লুকিয়ে রাখেন। যেকারনে এ বিষয়টিকে
নিশ্চিত প্রমাণ বলা যায় না।
দ্বিতীয়ত,
প্রোফাইল ছবি হঠাৎ অদৃশ্য হয়ে গেলে সেটিও একটি ইঙ্গিত। ব্লক করা হলে প্রোফাইল ছবির
জায়গায় ধূসর রঙের আইকন দেখা যায় এবং পরবর্তীতে ছবি পরিবর্তন করলেও তা আর দেখা যায় না।
তৃতীয়
লক্ষণ হলো কল দেওয়ার সময় যদি শুধু ‘কলিং’ দেখায় কিন্তু ‘রিংগিং’ না হয়ে কেটে যায়, তাহলে
ব্লক হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তবে দুর্বল ইন্টারনেট সংযোগের কারণেও এমন সমস্যা হতে পারে।
আরেকটি
গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ হলো মেসেজে শুধু একটি টিক থাকা। সাধারণত দুটি ধূসর টিক মানে মেসেজ
ডেলিভারি হয়েছে। কিন্তু ব্লক করা হলে দ্বিতীয় টিক আর আসে না, অর্থাৎ মেসেজটি প্রাপকের
ফোনে পৌঁছায় না।
আইটি
বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধরনের পরিস্থিতিতে অযথা আতঙ্কিত হওয়া উচিত নয়। ব্লক করা সম্পূর্ণ
ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত এবং অনেক সময় এটি সাময়িকও হতে পারে বা শুধু প্রাইভেসি সেটিংস পরিবর্তনের
ফলেও এমনটা মনে হতে পারে।
সব
মিলিয়ে বলা যায়, হোয়াটসঅ্যাপ সরাসরি কখনো জানায় না যে কেউ আপনাকে ব্লক করেছে কি না।
তবে ‘লাস্ট সিন’ না দেখা, প্রোফাইল ছবি না থাকা, কল কানেক্ট না হওয়া এবং মেসেজে একটি
টিক এই ধরনের লক্ষণগুলো একসঙ্গে দেখা গেলে ধারণা করা যায় ব্লক করা হতে পারে। তবে যোগাযোগ
যদি জরুরী প্রয়োজন হয়, তাহলে এসএমএস, ই-মেইল কিংবা অন্য কোনো মাধ্যমে যোগাযোগের চেষ্টা
করা যেতে পারে। তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো অপর ব্যক্তির ব্যক্তিগত স্পেসকে সম্মান
করা।
তথ্য-বিডিপ্রতিদিন/জাগো
নিউজ/ এম ডিউক