অনলাইন ডেক্স: জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর পেছনে বৈশ্বিক
বাজার পরিস্থিতি ও আমদানি ব্যয়ের চাপকে প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছে সরকার। রোববার
সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী
ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্যবৃদ্ধির কারণে দেশের ভোক্তা পর্যায়ে
মূল্য সমন্বয় করা ছাড়া আর কোনো বিকল্প ছিল না। মন্ত্রী জানান, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের
প্রভাবে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি বাজার অস্থির হয়ে উঠেছে। অনেক দেশ ইতোমধ্যে তেলের দাম বাড়িয়েছে।
বাংলাদেশও এতদিন তুলনামূলক কম দামে জ্বালানি সরবরাহ করলেও আমদানি ব্যয় বেড়ে যাওয়ায়
এখন সেই অবস্থান ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ডিজেলের দাম লিটারপ্রতি
১০০ টাকা থেকে বেড়ে ১১৫ টাকা, অকটেন ১২০ টাকা থেকে ১৪০ টাকা, পেট্রোল ১১৬ টাকা থেকে
১৩৫ টাকা এবং কেরোসিন ১১২ টাকা থেকে ১৩০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। অর্থাৎ, পণ্যানুযায়ী
লিটারপ্রতি ১৫ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রতিমন্ত্রী বলেন, দাম বাড়লেও সরকার এখনো
ভর্তুকি দিচ্ছে। তিনি দাবি করেন, আন্তর্জাতিক বাজারের তুলনায় দেশে এখনো জ্বালানির দাম
সহনীয় পর্যায়ে রাখা হয়েছে। জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি সাধারণ মানুষের
জীবনযাত্রায় প্রভাব ফেলবে কিনা—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, যেকোনো মূল্যবৃদ্ধিই
কিছুটা চাপ তৈরি করে। তবে সরকার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং অর্থনীতিকে স্থিতিশীল
রাখতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিচ্ছে। এর আগে সরকার জানিয়েছিল, এপ্রিল মাসে জ্বালানির
দাম না বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে। তবে সাম্প্রতিক পরিস্থিতির কারণে সেই সিদ্ধান্ত থেকে
সরে এসে নতুন মূল্য সমন্বয় করতে হয়েছে বলে জানানো হয়। জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ ইতোমধ্যে
এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে, যা রোববার থেকে কার্যকর হয়েছে।
We may use cookies or any other tracking technologies when you visit our website, including any other media form, mobile website, or mobile application related or connected to help customize the Site and improve your experience.
learn more