বাউফল (পটুয়াখালী) সংবাদদাতা
:
পটুয়াখালীর বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত
কর্মকর্তা মো. সিদ্দিকুর রহমানের বিরুদ্ধে যুব অধিকার পরিষদের এক নেতাকে মারধরের অভিযোগ
উঠেছে।
বুধবার (৭জানুয়ারি) সকাল ১০টার
সময় উপজেলার কালাইয়া ইউনিয়নের কর্পূরকাঠী গ্রামের তারেরপোল এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে।
বাউফল উপজেলা যুব অধিকার পরিষদের
সাংগঠনিক সম্পাদক মো. হাসান মাহমুদ অভিযোগ করে বলেন, গত মঙ্গলবার (৬জানুয়ারি) দুপুরে
ঝালকাঠি উপজেলার এক ছাত্রলীগ নেতা আত্মগোপন করার জন্য বাউফল উপজেলার কালাইয়া ইউনিয়নের
কর্পূরকাঠি গ্রামে আসে। বিষয়টি বাউফল থানা পুলিশকে জানালে পুলিশ আমাদের কোনো সহযোগীতা
না করে উল্টো তাদের পক্ষ নেয়। এই ঘটনার জেরে স্থানীয় একটি চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে
বুধবার (৭ জানুয়ারি) সকালের দিকে বাউফল থানার অফিসার ইনচার্জ মো. সিদ্দিকুর রহমান সহ
দশজন পুলিশ সদস্য ঘটনাস্থলে এসে আমার উপর অতর্কিতভাবে হামলা করে। পরে আমাকে হাতকড়া পরায়। আমাকে বাঁচাতে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে তাদেরকেও মারধর
করে, অনেকে মানুষের মোবাইল ফোন কেঁড়ে নিয়ে যায়।
এ ঘটনার পরে ন্যায় বিচার আশা করে
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ৫মিনিট ৫৩সেকেন্ডের একটি ভিডিও পোষ্ট করেন হাসান মাহমুদ।
এ বিষয়ে বাউফল থানার অফিসার ইনচার্জ
(ওসি) মো. সিদ্দিকুর রহমান বলেন, ওই এলাকায় একই ব্যক্তির বিরুদ্ধে একাধিক চুরির অভিযোগ
আসে এবং স্থানীয়রা চুরির অভিযোগে ওই ব্যাক্তিকে হাতেনাতে আটক করে। খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে
গেলে যুব অধিকার পরিষদের এক নেতা ওই চোরকে গ্রেফতার করতে বাঁধা দেয়, এনিয়ে সেখানে তারা
পুলিশের সাথে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় করে আর মারধরের অভিযোগটি সম্পূর্নভাবে মিথ্যা। তিনি
কেনো এমন অভিযোগ করেছেন সেই বিষয়টি তিনি ভালো বলতে পারবেন বলেও জানান এই কর্মকর্তা।
যুব অধিকার পরিষদের নেতাকে মারধরের
বিষয়ে গণ অধিকার পরিষদের বাউফল উপজেলা শাখার আহবায়ক মো. হাবিবুর রহমান বলেন, বিষয়টি
আমার নজরে এসেছে, আলোচনা করে পরবর্তী পদপেক্ষ নিবো।