বাউফল (পটুয়াখালী) সংবাদদাতা :
নিজ সন্তানকে ফিরে পেতে দীর্ঘদিন ধরে আইনী লড়াই
ও দৌড়ঝাঁপ করছেন পটুয়াখালীর বাউফলের আরাফাত ইসলাম (৪৫) নামের এক বাবা। রবিবার (৮ নভেম্বর)
স্থানীয় সাংবাদিকদের কাছে তিনি এমন অভিযোগ করেছেন।
ভুক্তভোগী আরাফাত জানান, ২০২১ সালের ১৯ এপ্রিল বগা
ইউনিয়নের ধাউরাভাঙা গ্রামের জসিম উদ্দিনের মেয়ে ইসলামী শরীয়াহ অনুযায়ি লিজা আক্তারের
সঙ্গে তার বিয়ে হয়। বিয়ের এক বছর পর ২০২২ সালে তাদের সংসারে একটি পুত্র সন্তানের জন্ম
হয়। এর কিছুদিন পর থেকেই দাম্পত্য কলহ দেখা দেয় এবং বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়ায়।
দীর্ঘ আইনী প্রক্রিয়া শেষে একই বছরের ২৬ সেপ্টেম্বর
আদালত তাদের বিবাহবিচ্ছেদের রায় দেন। আদালতের নির্দেশনায় সন্তানের (৭ বছরের জন্য) লালন-পালনের
দায়িত্ব মা লিজা আক্তারের ওপর অর্পণ করা হয়।
তবে সম্প্রতি লিজা আক্তার তার সন্তানকে নানী সুমি
বেগমের কাছে রেখে পাশের গ্রামের এক যুবক নুরুল্লাহ গাজীর সঙ্গে নতুন করে বিবাহ বন্ধনে
আবদ্ধ হন। এতে সন্তান নিরাপত্তাহীন অবস্থায় রয়েছে দাবি করে সন্তানকে ফেরত পেতে আবারও
আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন আরাফাত ইসলাম।
আরাফাত বলেন, তিন বছরেরও বেশি সময় ধরে আমার সন্তানকে
দেখতে দিচ্ছেন না সাবেক স্ত্রীর মা সুমি বেগম। আমি দেখতে গেলে আমাকে মারধর করা হয়।
ওই ঘটনার একটি মামলা আদালতে চলমান। এখন আমার সন্তান তার নানীর বাড়িতে রয়েছে। আমি নিরাপত্তাহীনতায়
ভুগছি এবং সন্তানের হেফাজত ফিরে পেতে আইনী লড়াই চালিয়ে যাব।
আরাফাতের শ্বাশুড়ী সুমি বেগম মুঠোফোনে বলেন, আমার
মেয়ে লিজার বিয়ে হয়েছে। তার আগের বাচ্চাটি আমার কাছেই আছে। লিজার বর্তমান শ্বশুর রুহুল গাজীর সাথে যোগাযোগ
করা হলে তিনি বলেন, আমার ছেলে নুরুল্লাহর সাথে লিজার বিয়ে হয়েছে। তবে লিজার আগের স্বামীর
সন্তানটি লিজার মায়ের কাছেই আছে।