অনলাইন ডেক্স:
দেশের বাজারগুলোতে এলপি গ্যাসের সরবরাহ স্বাভাবিক
রাখতে আমদানি ও উৎপাদন পর্যায়ে কর প্রত্যাহারের সুপারিশ করেছে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও
খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়। বৃহস্পতিবার (৮ ডিসেম্বর) এ বিষয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে (এনবিআর)
একটি চিঠি পাঠানো হয়।
চিঠিতে গ্যাস আমদানিতে বর্তমানে আরোপিত ১৫ শতাংশ
ভ্যাট কমিয়ে ১০ শতাংশের নিচে নামানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এছাড়া উৎপাদন পর্যায়ে বিদ্যমান
সাড়ে ৭ শতাংশ ব্যবসায়ী পর্যায়ের ভ্যাট এবং আগাম কর সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাহারের সুপারিশ
করা হয়েছে।
জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রনালয়ের তথ্যমতে, দেশে
ব্যবহৃত এলপি গ্যাসের প্রায় ৯৮ শতাংশই বেসরকারি খাতের মাধ্যমে আমদানি করা হয়। শিল্প
ও গৃহস্থালি উভয় খাতেই এই গ্যাসের ব্যবহার ব্যাপক। তবে শীত মৌসুমে আন্তর্জাতিক বাজারে
সরবরাহ কমে যাওয়া এবং অভ্যন্তরীণ চাহিদা বাড়ার ফলে এলপি গ্যাসের দাম বৃদ্ধি পায়। পাশাপাশি
এ সময়ে পাইপলাইনের গ্যাসের সরবরাহ সীমিত থাকায় এলপিজির ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হয়।
আর এ কারণে বর্তমানে বাজারে এলপি গ্যাসের তীব্র
সংকট দেখা দিয়েছে, যা সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় বিরূপ প্রভাব ফেলছে। গত ১৮ ডিসেম্বর
উপদেষ্টা পরিষদের এক সভায় অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ এলপিজি আমদানিতে ১৫ শতাংশ ভ্যাট প্রত্যাহার
করে ১০ শতাংশ ভ্যাট আরোপ এবং উৎপাদন ও ব্যবসায়ী পর্যায়ে ভ্যাট ও আগাম কর অব্যাহতির
প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়। এলপিজি অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (লোয়াব)
নেতাদের সঙ্গে আলোচনার পর নেওয়া সিদ্ধান্তের ভিত্তিতেই এনবিআরকে এই সুপারিশ পাঠানো
হয়েছে।
তথ্য-বিডিপ্রতিদিন/এম ডিউক