বরগুনায় মা ও দুই কন্যার মৃত্যুর ঘটনায় রহস্য ঘনীভূত
Date: 2026-06-08
প্রিন্ট এর তারিখ: ||প্রকাশের তারিখ: জুন ০৮, ২০২৬, ১২:২৫ পি.এম
বরগুনায় মা ও দুই কন্যার মৃত্যুর ঘটনায় রহস্য ঘনীভূত
অ-অ+
অনলাইন ডেস্ক: বরগুনা জেলা
পরিষদের ডাকবাংলো থেকে পরিচ্ছন্নতাকর্মী ইতি রানী ও তাঁর দুই কন্যার মরদেহ উদ্ধারের
পাঁচ দিন পেরিয়ে গেলেও এখনো কোনো হত্যা বা আত্মহত্যা মামলা দায়ের হয়নি। এ ঘটনায় নিহতদের
পরিবারের সদস্যরা পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন এবং অভিযোগ করেছেন, মামলা করতে
গিয়ে তাঁরা নানা জটিলতার মুখোমুখি হচ্ছেন। পরিবারের দাবি,
ইতি রানীর স্বামী দুলাল চন্দ্র বিশ্বাস থানায় মামলা করতে গেলে পুলিশ তাঁকে বাদী না
হয়ে অন্য কোনো রক্তসম্পর্কীয় স্বজনকে বাদী করার পরামর্শ দেয়। এতে তারা বিভ্রান্ত ও
হতাশ হয়েছেন। স্বজনদের মতে, এমন পরামর্শের কারণে মামলা দায়ের প্রক্রিয়া বিলম্বিত হচ্ছে
এবং ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটনেও বাধা সৃষ্টি হচ্ছে। নিহতের পরিবারের
সদস্যরা আরও অভিযোগ করেন, ঘটনার পর প্রথমদিকে ইতি রানীকে ডাকবাংলোর কর্মী হিসেবে স্বীকার
করা হলেও বর্তমানে সংশ্লিষ্ট কিছু ব্যক্তি তাঁকে চেনেন না বলে দাবি করছেন। এতে পরিবারের
মধ্যে সন্দেহ আরও বেড়েছে। তাদের প্রশ্ন, যদি তিনি সেখানে কর্মরত না থাকেন, তাহলে কীভাবে
দীর্ঘদিন ধরে ওই স্থানে কাজ করেছেন এবং ঘটনার দিন সেখানে অবস্থান করছিলেন? গত বুধবার বরগুনা
শহরের জেলা পরিষদ ডাকবাংলোর একটি কক্ষ থেকে ইতি রানী (৩৪), তাঁর বড় মেয়ে আরাধ্য বিশ্বাস
(১১) এবং ছোট মেয়ে অনুরাধা বিশ্বাসের (৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনার পর পুলিশ প্রাথমিকভাবে
এটিকে আত্মহত্যা হিসেবে সন্দেহ করলেও নিহতের পরিবার এ ব্যাখ্যায় সন্তুষ্ট নয়। পরিবারের সদস্যদের
মতে, ময়নাতদন্তের পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন ও তদন্তের ফলাফল প্রকাশের আগে আত্মহত্যার ধারণা
প্রকাশ করা উচিত হয়নি। তারা মনে করছেন, এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ডও হতে পারে। তাই নিরপেক্ষ
ও স্বচ্ছ তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনের দাবি জানিয়েছেন তারা। এদিকে পুলিশ
জানিয়েছে, ঘটনার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে এবং বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত যাচাই করা হচ্ছে। তবে
এখন পর্যন্ত মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায়নি। মা ও দুই শিশুকন্যার
একসঙ্গে মৃত্যুর এই ঘটনায় বরগুনাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দেরও দাবি, দ্রুত
তদন্ত শেষ করে প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটন করা হোক এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা
নেওয়া হোক। তথ্য: ইত্তেফাক/
বিডিফেস মেহেদী হাসান
দীপ
We may use cookies or any other tracking technologies when you visit our website, including any other media form, mobile website, or mobile application related or connected to help customize the Site and improve your experience.
learn more