প্রিন্ট এর তারিখ: ||প্রকাশের তারিখ: জুন ০৪, ২০২৬, ৪:৩৭ এ.এম
জামিনে মুক্তি পেলেন নিজ সেলিনা হায়াৎ আইভী
অ-অ+
অনলাইন ডেস্ক: দীর্ঘ এক বছরের বেশি সময় কারাভোগের পর জামিনে মুক্তি পেয়েছেন নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভী। বুধবার রাত প্রায় ১০টা ১৫ মিনিটে কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়ার পর গভীর রাতে তিনি নারায়ণগঞ্জ শহরের দেওভোগ এলাকায় নিজ বাসভবনে পৌঁছান। আইভীর মুক্তির সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে রাত থেকেই তাঁর বাসভবনের সামনে স্বজন, শুভাকাঙ্ক্ষী এবং সমর্থকদের উপস্থিতি বাড়তে থাকে। দীর্ঘদিন পর তাঁকে কাছে পেয়ে সমর্থকদের মধ্যে স্বস্তি ও আনন্দের আবহ দেখা যায়। বাসায় পৌঁছে তিনি দেশবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বিচার বিভাগের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, দেশে একটি মানবিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হওয়া প্রয়োজন। একই সঙ্গে তিনি কারাগারে থাকা নিরপরাধ নারী বন্দিদের বিষয়েও সহানুভূতিশীল পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ৯ মে ভোরে নারায়ণগঞ্জের নিজ বাসা থেকে আইভীকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরবর্তীতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলন চলাকালে সংঘটিত কয়েকটি হত্যা ও হত্যাচেষ্টা মামলাসহ মোট ১২টি মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। বিভিন্ন মামলায় জামিন পেলেও নতুন মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর কারণে তাঁর মুক্তি বিলম্বিত হয়। সর্বশেষ গত ৩০ এপ্রিল বাংলাদেশ হাইকোর্ট সিদ্ধিরগঞ্জ থানার দুটি হত্যা মামলায় তাঁকে অন্তর্র্বতীকালীন জামিন প্রদান করলে মুক্তির আইনি বাধা দূর হয়। কারামুক্তির সময় তাঁর আইনজীবী, পরিবারের সদস্য এবং ঘনিষ্ঠজনেরা কারাফটকে উপস্থিত ছিলেন। রাজনৈতিক জীবনে আইভী দীর্ঘদিন ধরে নারায়ণগঞ্জের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। তিনি ২০০৩ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত নারায়ণগঞ্জ পৌরসভার মেয়র ছিলেন এবং পরে নবগঠিত নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন-এর টানা তিন মেয়াদে নির্বাচিত মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১১ সালের প্রথম সিটি করপোরেশন নির্বাচনে তিনি প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতা শামীম ওসমানকে বড় ব্যবধানে পরাজিত করে আলোচনায় আসেন। রাতের দিকে বাসভবনে পৌঁছালে তাঁকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান স্বজন, সমর্থক ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা। এ সময় রফিউর রাব্বি, আবু সাঈদ মাসুদ, জিয়াউল ইসলাম এবং শাহীন মাহমুদসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
We may use cookies or any other tracking technologies when you visit our website, including any other media form, mobile website, or mobile application related or connected to help customize the Site and improve your experience.
learn more