প্রিন্ট এর তারিখ: ||প্রকাশের তারিখ: জুন ০২, ২০২৬, ৪:০৩ এ.এম
জুন থেকে বাড়ল অকটেন-পেট্রোলের দাম
অ-অ+
অনলাইন ডেস্ক: দেশে আবারও জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয় করেছে সরকার। জুন মাসের জন্য
অকটেন, পেট্রোল ও কেরোসিনের দাম প্রতি লিটারে ৫ টাকা বৃদ্ধি করা হয়েছে। তবে ডিজেলের
মূল্য আগের মতোই অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। রোববার (৩১ মে) রাতে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন
জারি করে। নতুন নির্ধারিত মূল্য সোমবার (১ জুন) থেকে কার্যকর হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের মূল্য
ওঠানামার সঙ্গে সামঞ্জস্য বজায় রাখতেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যদিও বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত
তেলের দাম এখনও ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারের নিচে অবস্থান করছে, তবুও দেশে কিছু জ্বালানির
দাম বাড়ানোয় জনমনে নানা প্রশ্ন ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেছেন,
পরিস্থিতির চাপে সরকার এ ধরনের সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, মধ্যপ্রাচ্যের
চলমান সংকট আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে প্রভাব ফেলেছে, যার প্রতিফলন দেশের বাজারেও
পড়ছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, অতীতে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের মূল্য উল্লেখযোগ্য
হারে বেড়ে গেলেও সরকার দীর্ঘ সময় দাম সমন্বয় করেনি। বর্তমান সিদ্ধান্তকে তিনি অর্থনৈতিক
বাস্তবতার সঙ্গে খাপ খাওয়ানোর একটি পদক্ষেপ হিসেবে তুলে ধরেন। অন্যদিকে ভোক্তা অধিকার নিয়ে কাজ করা সংগঠনগুলোর মতে, ডিজেলের দাম অপরিবর্তিত
থাকলেও অন্যান্য জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি সামগ্রিক অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলতে পারে। কনজ্যুমারস
অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সভাপতি এ এইচ এম সফিকুজ্জামান বলেন, মূল্যবৃদ্ধির
পরিমাণ তুলনামূলক কম মনে হলেও পরিবহন, পণ্য সরবরাহ এবং দৈনন্দিন ব্যয়ের ওপর এর প্রভাব
পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, জ্বালানি তেলের মূল্য সমন্বয়ের ফলে বাজারে পণ্যের
দাম এবং সেবার খরচে নতুন চাপ সৃষ্টি হতে পারে, যা সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয়
আরও বাড়িয়ে দিতে পারে। জুন থেকে বাড়ল অকটেন-পেট্রোলের দাম, বাজারে নতুন মূল্য নিয়ে উদ্বেগ দেশে আবারও জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয় করেছে সরকার। জুন মাসের জন্য
অকটেন, পেট্রোল ও কেরোসিনের দাম প্রতি লিটারে ৫ টাকা বৃদ্ধি করা হয়েছে। তবে ডিজেলের
মূল্য আগের মতোই অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। রোববার (৩১ মে) রাতে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন
জারি করে। নতুন নির্ধারিত মূল্য সোমবার (১ জুন) থেকে কার্যকর হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের মূল্য
ওঠানামার সঙ্গে সামঞ্জস্য বজায় রাখতেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যদিও বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত
তেলের দাম এখনও ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারের নিচে অবস্থান করছে, তবুও দেশে কিছু জ্বালানির
দাম বাড়ানোয় জনমনে নানা প্রশ্ন ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেছেন,
পরিস্থিতির চাপে সরকার এ ধরনের সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, মধ্যপ্রাচ্যের
চলমান সংকট আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে প্রভাব ফেলেছে, যার প্রতিফলন দেশের বাজারেও
পড়ছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, অতীতে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের মূল্য উল্লেখযোগ্য
হারে বেড়ে গেলেও সরকার দীর্ঘ সময় দাম সমন্বয় করেনি। বর্তমান সিদ্ধান্তকে তিনি অর্থনৈতিক
বাস্তবতার সঙ্গে খাপ খাওয়ানোর একটি পদক্ষেপ হিসেবে তুলে ধরেন। অন্যদিকে ভোক্তা অধিকার নিয়ে কাজ করা সংগঠনগুলোর মতে, ডিজেলের দাম অপরিবর্তিত
থাকলেও অন্যান্য জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি সামগ্রিক অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলতে পারে। কনজ্যুমারস
অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সভাপতি এ এইচ এম সফিকুজ্জামান বলেন, মূল্যবৃদ্ধির
পরিমাণ তুলনামূলক কম মনে হলেও পরিবহন, পণ্য সরবরাহ এবং দৈনন্দিন ব্যয়ের ওপর এর প্রভাব
পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, জ্বালানি তেলের মূল্য সমন্বয়ের ফলে বাজারে পণ্যের
দাম এবং সেবার খরচে নতুন চাপ সৃষ্টি হতে পারে, যা সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয়
আরও বাড়িয়ে দিতে পারে। জুন থেকে বাড়ল অকটেন-পেট্রোলের দাম, বাজারে নতুন মূল্য নিয়ে উদ্বেগ দেশে আবারও জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয় করেছে সরকার। জুন মাসের জন্য
অকটেন, পেট্রোল ও কেরোসিনের দাম প্রতি লিটারে ৫ টাকা বৃদ্ধি করা হয়েছে। তবে ডিজেলের
মূল্য আগের মতোই অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। রোববার (৩১ মে) রাতে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন
জারি করে। নতুন নির্ধারিত মূল্য সোমবার (১ জুন) থেকে কার্যকর হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের মূল্য
ওঠানামার সঙ্গে সামঞ্জস্য বজায় রাখতেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যদিও বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত
তেলের দাম এখনও ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারের নিচে অবস্থান করছে, তবুও দেশে কিছু জ্বালানির
দাম বাড়ানোয় জনমনে নানা প্রশ্ন ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেছেন,
পরিস্থিতির চাপে সরকার এ ধরনের সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, মধ্যপ্রাচ্যের
চলমান সংকট আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে প্রভাব ফেলেছে, যার প্রতিফলন দেশের বাজারেও
পড়ছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, অতীতে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের মূল্য উল্লেখযোগ্য
হারে বেড়ে গেলেও সরকার দীর্ঘ সময় দাম সমন্বয় করেনি। বর্তমান সিদ্ধান্তকে তিনি অর্থনৈতিক
বাস্তবতার সঙ্গে খাপ খাওয়ানোর একটি পদক্ষেপ হিসেবে তুলে ধরেন। অন্যদিকে ভোক্তা অধিকার নিয়ে কাজ করা সংগঠনগুলোর মতে, ডিজেলের দাম অপরিবর্তিত
থাকলেও অন্যান্য জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি সামগ্রিক অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলতে পারে। কনজ্যুমারস
অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সভাপতি এ এইচ এম সফিকুজ্জামান বলেন, মূল্যবৃদ্ধির
পরিমাণ তুলনামূলক কম মনে হলেও পরিবহন, পণ্য সরবরাহ এবং দৈনন্দিন ব্যয়ের ওপর এর প্রভাব
পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, জ্বালানি তেলের মূল্য সমন্বয়ের ফলে বাজারে পণ্যের
দাম এবং সেবার খরচে নতুন চাপ সৃষ্টি হতে পারে, যা সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয়
আরও বাড়িয়ে দিতে পারে।
We may use cookies or any other tracking technologies when you visit our website, including any other media form, mobile website, or mobile application related or connected to help customize the Site and improve your experience.
learn more