কাশিমপুর মহিলা কারাগার থেকে ৩ মাসের সাজাপ্রাপ্ত কয়েদির পলায়ন
Date: 2026-07-18
প্রিন্ট এর তারিখ: ||প্রকাশের তারিখ: জুলাই ১৮, ২০২৬, ৪:৫১ এ.এম
কাশিমপুর মহিলা কারাগার থেকে ৩ মাসের সাজাপ্রাপ্ত কয়েদির পলায়ন
অ-অ+
অনলাইন ডেস্ক:
গাজীপুরের কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগারের অভ্যন্তরীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে বড় ধরনের প্রশ্ন উঠেছে। কড়া নিরাপত্তা বেষ্টনী ভেদ করে মোছা. রিম্পা (২১) নামের এক নারী বন্দী নাটকীয়ভাবে পালিয়ে গেছেন। আজ শনিবার সকাল পর্যন্ত দীর্ঘ সময় পার হয়ে গেলেও নিখোঁজ ওই বন্দীকে পুনর্বার গ্রেপ্তার বা তাঁর অবস্থান শনাক্ত করতে পারেনি প্রশাসন।
কারা সূত্রে জানা গেছে, পলাতক রিম্পার বাড়ি মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার রায়পুর এলাকায়। তিনি ঢাকার একটি ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তিন মাসের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত হয়ে এই কারাগারে সাজা ভোগ করছিলেন।
ঘটনার সূত্রপাত গত বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) রাত আটটার দিকে। নিয়মিত গণনা বা তল্লাশির সময় কারা কর্তৃপক্ষ হঠাৎ টের পায় যে বন্দী রিম্পা তাঁর নির্দিষ্ট স্থানে নেই। বিষয়টি প্রকাশ পাওয়া মাত্রই কারাগারের ভেতরে হুলস্থুল পড়ে যায়। রাতেই কারাগারের প্রতিটি কোণায় একাধিকবার চিরুনি তল্লাশি চালানো হলেও তাঁর কোনো খোঁজ মেলেনি। কড়া পাহারার মধ্যে একজন নারী বন্দী কীভাবে সবার চোখ ফাঁকি দিয়ে সীমানা প্রাচীর পার হলেন, তা নিয়ে খোদ কারা কর্মকর্তাদের মধ্যেই ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে।
ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা না করে নিয়ম অনুযায়ী গতকাল শুক্রবার বিকেলে কারা কর্তৃপক্ষ গাজীপুরের কোনাবাড়ী থানায় একটি আনুষ্ঠানিক মামলা দায়ের করেছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগারের জেল সুপার শিরিন আক্তার বিস্তারিত তথ্য দিতে অস্বীকৃতি জানিয়ে বলেন, "আমরা এখন এই বিষয়টি নিয়ে অত্যন্ত ব্যস্ত রয়েছি। পরে এ ব্যাপারে বিস্তারিত জানানো হবে।"
এদিকে কোনাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইফতেখার হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, "কারাগার থেকে এক নারী বন্দী পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় শুক্রবার বিকেলে থানায় একটি মামলা হয়েছে। আমরা পুলিশি তৎপরতা জোরদার করেছি এবং পলাতক ওই নারীকে দ্রুত আটকের জন্য বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালানো হচ্ছে।"
অল্প মেয়াদের সাজাপ্রাপ্ত একজন সাধারণ বন্দীর এভাবে হাই-সিকিউরিটি জোনের ভেতর থেকে উধাও হয়ে যাওয়ার ঘটনাটি কারা প্রশাসনের ভেতরের কোনো গাফিলতি নাকি বাহ্যিক কোনো দুর্বলতার কারণে ঘটেছে, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত কমিটি গঠন করা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
We may use cookies or any other tracking technologies when you visit our website, including any other media form, mobile website, or mobile application related or connected to help customize the Site and improve your experience.
learn more