প্রিন্ট এর তারিখ: ||প্রকাশের তারিখ: জুন ০৯, ২০২৬, ২:৪১ পি.এম
নাজিরপুরের অস্তিত্ব রক্ষায় বালুমহাল বাতিলের দাবি
অ-অ+
বাউফল (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার নাজিরপুর ইউনিয়ন রক্ষার্থে তেঁতুলিয়া ও বুড়াগৌরাঙ্গ নদীর ভাঙনপ্রবণ এলাকায় বালুমহাল ইজারা না দেওয়া, বালুমহাল গেজেট থেকে স্থায়ীভাবে অবমুক্ত করা এবং নদীতীর সংরক্ষণ বাঁধ নির্মাণের দাবি জানিয়ে জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৯ জুন) নাজিরপুর ইউনিয়নের সর্বস্তরের ক্ষতিগ্রস্ত জনসাধারণের পক্ষে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মুজাহিদুল ইসলাম শাহিন এ আবেদন করেন। আবেদনে উল্লেখ করা হয়, বিগত কয়েক বছর ধরে তেঁতুলিয়া ও বুড়াগৌরাঙ্গ নদীর অব্যাহত ভাঙনে নাজিরপুর, কালাইয়া ও ধুলিয়া ইউনিয়নের হাজার হাজার একর ফসলি জমি, বসতভিটা, হাট-বাজার এবং সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। ফলে বহু পরিবার ভিটেমাটি হারিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে। আবেদনকারীর দাবি, আগামী ১১ জুন বুড়াগৌরাঙ্গ নদীর ডুবা বালুমহাল ও বগা লক্ষ্মীঘাট এলাকা থেকে খাস আদায়ের লক্ষ্যে প্রকাশ্য ডাক বা ইজারার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কিন্তু সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলো বর্তমানে তীব্র নদীভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে। এ অবস্থায় সেখানে বালু উত্তোলন করলে নদীভাঙন আরও তীব্র আকার ধারণ করতে পারে। আবেদনে আরও বলা হয়, ‘বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০’ অনুযায়ী নদীভাঙনপ্রবণ এলাকা, বাঁধ, লোকালয় বা গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকলে সেখান থেকে বালু উত্তোলন নিষিদ্ধ। তাই জনস্বার্থে উক্ত অঞ্চলকে বালুমহাল গেজেট থেকে স্থায়ীভাবে অবমুক্ত করার জন্য ভূমি মন্ত্রণালয়ে জরুরি সুপারিশ পাঠানোর দাবি জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে নাজিরপুর ইউনিয়নকে নদীভাঙনের করাল গ্রাস থেকে রক্ষায় পরিকল্পিত স্থায়ী তীর সংরক্ষণ ও নদীশাসন বাঁধ নির্মাণে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে। আবেদনের অনুলিপি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও সহকারী কমিশনার (ভূমি), বাউফল বরাবরও প্রেরণ করা হয়েছে।
We may use cookies or any other tracking technologies when you visit our website, including any other media form, mobile website, or mobile application related or connected to help customize the Site and improve your experience.
learn more