পটুয়াখালীতে স্ত্রীর অমতে গর্ভপাত ঘটানোর অভিযোগ: স্বামী শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে মামলা
Date: 2026-07-29
প্রিন্ট এর তারিখ: ||প্রকাশের তারিখ: জুলাই ২৯, ২০২৬, ৩:২২ পি.এম
পটুয়াখালীতে স্ত্রীর অমতে গর্ভপাত ঘটানোর অভিযোগ: স্বামী শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে মামলা
অ-অ+
পটুয়াখালী প্রতিনিধি:
পটুয়াখালীতে স্ত্রীর অমতে জোরপূর্বক গর্ভপাত ঘটানোর অভিযোগে স্বামী মোঃ শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের করা হয়েছে। গত ২২ জুলাই ২০২৬ তারিখে ভুক্তভোগী মোসাঃ হাদিয়া লামিয়া (২৮) বাদী হয়ে পটুয়াখালী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে এই পিটিশন মামলাটি (মামলা নং- ৫১১/২০২৬) দায়ের করেন। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ (সংশোধিত ২০০৩)-এর ১১(গ) নালিশিসহ দণ্ডবিধির ৩১৩ ধারায় মামলাটি আমলে নেওয়া হয়। ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা জজ) জনাব নীলুফার শিরিন অভিযোগটি আমলে নিয়ে পটুয়াখালী সদর থানার অফিসার ইনচার্জকে (ওসি) ঘটনাটি এজাহার হিসেবে গণ্য করে নিয়মিত মামলা রুজু এবং তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন।
আদালতে পেশ করা নথিপত্র ও চিকিৎসাসংক্রান্ত কাগজপত্র পর্যালোচনায় দেখা যায়, পটুয়াখালীর ছোট চৌরাস্তায় অবস্থিত 'ল্যাব পয়েন্ট কনসালটেশন সেন্টার'-এ গত ১৮ মে ২০২৬ তারিখে করা একটি আল্ট্রাসোনোগ্রাম রিপোর্টে মোসাঃ হাদিয়া লামিয়ার গর্ভে ৬ সপ্তাহ ১ দিনের একটি সুস্থ ও জীবিত ভ্রূণের উপস্থিতি নিশ্চিত করা হয়েছিল। রিপোর্টটি প্রস্তুত করেন ডা. মোঃ মহিবুল্লাহ রুবেল। পরবর্তীতে পটুয়াখালীর 'নিউরণ ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার'-এর একটি ব্যবস্থাপত্রে (প্রেসক্রিপশন) গর্ভপাতের ওষুধ (এমএম কিটসহ আনুষঙ্গিক ওষুধ) সেবনের উল্লেখ পাওয়া যায়। অভিযোগ উঠেছে, গর্ভধারণের বিষয়টি জানার পর স্ত্রী হাদিয়া লামিয়ার অনিচ্ছা ও সম্মতি ছাড়াই তাকে জোরপূর্বক এসব ওষুধ সেবন করিয়ে গর্ভপাত ঘটানো হয়।
অভিযোগের গুরুত্ব বিবেচনা করে বিজ্ঞ ট্রাইব্যুনাল নালিশি দরখাস্তটি সরাসরি এফআইআর (FIR) বা নিয়মিত মামলা হিসেবে গণ্য করার আদেশ দেন। আদেশে পটুয়াখালী সদর থানার ওসি অথবা সাব-ইন্সপেক্টর পদমর্যাদার কোনো পুলিশ কর্মকর্তাকে দিয়ে দ্রুততম সময়ে ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত পরিচালনা এবং নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে আদালতে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আগামী ১৮ অক্টোবর ২০২৬ তারিখের মধ্যে তদন্ত শেষ করতে না পারলে আদালতে হাজির হয়ে সময়সীমা বৃদ্ধির আবেদন জানানোর জন্যও তদন্তকারী কর্মকর্তাকে নির্দেশ দিয়েছে আদালত।
We may use cookies or any other tracking technologies when you visit our website, including any other media form, mobile website, or mobile application related or connected to help customize the Site and improve your experience.
learn more