বাউফল (পটুয়াখালী) সংবাদদাতা:
পটুয়াখালীর বাউফলে সরকারি কর্মচারীদের ৯ম জাতীয়
পে-স্কেল বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ঘোষিত ৫ নভেম্বরের মহাসমাবেশ সফল করতে বাউফলে র্যালি
ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (২৯ নভেম্বর ২০২৫) দুপুর ৩টায় উপজেলা
পরিষদ হলরুমে বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী কল্যাণ ফেডারেশন, বাউফল শাখার উদ্যোগে এর আয়োজন
করা হয়।
সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ সরকারি
কর্মচারী কল্যাণ ফেডারেশনের সাধারন সম্পাদক খায়ের আহমেদ মজুমদার।
বাউফল উপজেলা সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারী শাখার
সভাপতি মো. শাহাবুদ্দিন মুন্সীর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি মজুমদার বলেন, সরকারি কর্মচারীদের
জীবনমান উন্নয়নে ৯ম পে-স্কেল বাস্তবায়ন সময়ের দাবি। যৌক্তিক দাবিতে কোনো ধরনের টালবাহানা
বরদাস্ত করা হবে না। আমরা দেখছি, সরকার উদ্যোগ নিলেই কোথাও এক অদৃশ্য শক্তি বাধা হয়ে
দাঁড়ায় এটা বন্ধ করতে হবে।
অনুষ্ঠানের প্রধান বক্তা কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম
সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মালেক বলেন, আমরা টিফিন ভাতা চাই না, চাই লাঞ্চ ভাতা। দেশে ২২
লাখ সরকারি কর্মচারী আমরা যেন সম্মানজনকভাবে জীবনযাপন করতে পারি, সে দাবি সরকারের বিবেচনায়
নেওয়া জরুরি। আন্দোলনের কারণেই আমাকে একসময় আমাকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছিল; আপনাদের
ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের ফলেই আমি আবার পূর্ণবহাল হয়েছি।
বক্তারা বলেন, ন্যূনতম বেতন কাঠামো পুনর্বিন্যাস,
মহার্ঘ ভাতা বৃদ্ধি, পেনশন সুবিধা প্রসার এবং পদোন্নতির কাঠামো আধুনিকায়নসহ বিভিন্ন
দাবি দীর্ঘদিনের। তাই ৯ম পে-স্কেল বাস্তবায়ন এখন সময়সাপেক্ষ নয়, অপরিহার্য। এ নিয়ে
সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে চলমান আলোচনার কথাও তুলে ধরেন কেন্দ্রীয় নেতারা।
সভায় বাউফল উপজেলা শাখার সদস্যরা স্থানীয় পর্যায়ের
সমস্যাবলি এবং ভবিষ্যৎ কর্মসূচি তুলে ধরেন। পরে নেতৃবৃন্দ এসব প্রস্তাব লিপিবদ্ধ করে
কেন্দ্রীয় কমিটির কাছে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেন।
আলোচনা সভায় সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের শতাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারীর
উপস্থিতিতে কর্মচারীদের দাবি বাস্তবায়নে নতুন উদ্দীপনা তৈরি হয়।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, বেসরকারি
কলেজ শিক্ষা সমিতির বাউফল শাখার সভাপতি সহকারী অধ্যাপক মো. জসিম উদ্দিন, সরকারি প্রাথমিক
বিদ্যালয় শিক্ষা সমিতির সভাপতি মো. ফিরোজ খান, জমিয়াতুল মোদারেছিন বাউফল শাখার সভাপতি
মাওলানা সৈয়দ মো. আবুল কালাম আজাদ এবং উপজেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের কর্মকর্তা হুমায়ুন
কবিরসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।