থার্টি ফার্স্ট নাইট; নজরদারিতে বিহারি ক্যাম্প ও বস্তি

Date: 2025-12-29
news-banner
অনলাইন ডেক্স:
থার্টি ফার্স্ট নাইট (খ্রিস্টীয় বর্ষবরণের রাত) ঘিরে সম্ভাব্য নিরাপত্তা ঝুঁকির বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সতর্ক করেছে গোয়েন্দা সংস্থাগুলো। আতশবাজি, পটকা ফোটানো ও ফানুস ওড়ানোর আড়ালে নাশকতার আশঙ্কায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সজাগ রয়েছে।  
জানা গেছে, মোহাম্মদপুরের বিহারি ক্যাম্পসহ পল্লবীর ৩৯টি বিহারি ক্যাম্প এবং ১০টি বস্তিকে বিশেষ নজরদারির আওতায় আনা হয়েছে। এসব এলাকায় বিস্ফোরক ও অস্ত্র মজুদের তথ্য রয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিরপুর ও তেজগাঁও বিভাগ সংশ্লিষ্ট ক্যাম্প ও বস্তিগুলোতে প্রতিদিন ব্লক রেইড পরিচালনার প্রস্তাব দিয়েছে। ব্লক রেইড না হলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।
পুলিশ সদর দপ্তরের তত্ত্বাবধানে কারাগারের বাইরে থাকা শীর্ষ সন্ত্রাসীদের তথ্য সংগ্রহ ও নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। এ বিষয়ে অতিরিক্ত আইজিপি (ক্রাইম) খোন্দকার রফিকুল ইসলাম জানান, বর্ষবরণ উপলক্ষে পুলিশের সব সদস্যের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। পুরো ঢাকায় প্রায় ২৪টি স্ট্রাইকিং ফোর্স মোতায়েন থাকবে। প্রতিটি ফাঁড়ি এলাকায় দুটি করে পেট্রোল টিমের পাশাপাশি বিশেষ টহল ও চেকপোস্ট বসানো হবে।
পুলিশ সূত্র জানায়, সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন স্থানে চোরাগোপ্তা হামলা, খুন, ককটেল নিক্ষেপ ও যানবাহনে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। এসব বিবেচনায় মাঠপর্যায়ে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং ঢাকা ও ঢাকার বাইরে এলাকাভিত্তিক অপরাধী তালিকা হালনাগাদ করা হচ্ছে। বর্ষবরণের পাশাপাশি আসন্ন ভোটকে সামনে রেখেও সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাজ চলছে। অবৈধ ও বেহাত অস্ত্র উদ্ধার, সীমান্ত দিয়ে অস্ত্র প্রবেশ ঠেকানো এবং চিহ্নিত অপরাধীদের পালিয়ে যাওয়া রোধে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। জামিনে মুক্ত পেশাদার সন্ত্রাসীদের ওপরও কড়া নজর রাখা হচ্ছে।
মিরপুর-১১ নম্বরের বিহারি ক্যাম্প এলাকা বর্তমানে অপরাধপ্রবণ হটস্পটে পরিণত হয়েছে। গত এক বছরে শুধু এই এলাকায় সাতটির বেশি হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা মনে করছেন, বিভিন্ন ক্যাম্পে আত্মগোপনে থাকা অপরাধীদের গ্রেপ্তারে ব্লক রেইড প্রয়োজন।  

তথ্য- বিডি প্রতিদিন/ ডিউক

Leave Your Comments