বাউফল (পটুয়াখালী) সংবাদদাতা
:
আমরা বাউফলে আর পুরোনো নেতৃত্ব
চাই না। এবার নতুনের বাংলাদেশ। তরুণরাই সমাজ ও রাষ্ট্রে পরিবর্তন এনেছে, এদের নেতৃত্বেই
হবে বাউফলের প্রকৃত উন্নয়ন। জমিন যার আইন চলবে তার-এ স্লোগানকে সামনে রেখে জনগণ দাঁড়িপাল্লায়
ভোট দেবে। বাউফলে আর চাঁদাবাজি ও দখলদারিত্বের রাজনীতি চাই না। সাত শহীদের রক্তে ভেজা
এই বাউফল সেবক চায়, মালিক নয়। রাজনৈতিক সচেতনতা সৃষ্টি করা প্রতিটি নাগরিকের অধিকার।
সৎ, দক্ষ ও দুর্নীতিমুক্ত প্রতিনিধি নির্বাচন করতে না পারলে কখনোই স্বচ্ছ সমাজ গঠন
সম্ভব নয়।
নারীর মর্যাদা প্রসঙ্গে বলেন-
ইসলাম নারীর সম্মান নিশ্চিত করেছে। কিন্তু যারা বলে জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী বন্দি
থাকবে-তাদের কাছে নারীর স্বাধীনতার সংজ্ঞা হলো শিয়ালের কাছে মুরগির স্বাধীনতা। দেশের
বর্তমান পরিস্থিতি উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমরা অতীতে ভাষণ আর শোষণের রাজনীতি দেখেছি।
এবার পরিবর্তনের বাংলাদেশ চাই। কৃষক ফসল তুলতে পারে না, তরমুজের ট্রলার ছিনতাইয়ের
ঘটনাও সবাই দেখেছে। এখন চাই-‘জমি যার ফসল তার।
শুক্রবার ৫ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার
পটুয়াখালী বাউফলের নাজিরপুর তাঁতেরকাঠি ইউনিয়নে দিনব্যাপী গণসংযোগ, পথসভা ও উঠান বৈঠকে
এসব কথা বলেন, জামায়াতে ইসলামের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের
সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ।
গণসংযোগে অন্যান্যদের মধ্যে
উপস্থিত ছিলেন-উপজেলা আমির মাওলানা মো. ইসহাক মিয়া, নায়েবে আমির মাওলানা রফিকুল ইসলাম,
ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক দাওয়াহ ও আইন বিষয়ক সম্পাদক মুনতাসির মুজাহিদ, ঢাকা দক্ষিণের
ব্যবসায়ী নেতা আতিকুল রহমান নজরুল, সাবেক শিবির সভাপতি ইউনুস চৌধুরী, শ্রমিক কল্যাণ
ফেডারেশনের সভাপতি রেদওয়ান উল্লাহ মাস্টারসহ স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাংবাদিকরা।