ভোটার তালিকা থেকে বাদ হচ্ছেন শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান

Date: 2025-12-07
news-banner

অনলাইন ডেক্স:

জুলাই অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হবে-যদি তারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আপিল না করেন। আপিলের শেষ সময় ১৭ ডিসেম্বর।

শনিবার নির্বাচন বিষয়ক এক কর্মশালায় নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদ জানান, আইন অনুযায়ী আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দিতে হয়। তিনি বলেন, তারা যদি আপিল করেন, তবে আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। কিন্তু আপিল না করলে নির্ধারিত সময়ের পর স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভোটার তালিকা থেকে নাম কর্তন করা হবে।

ট্রাইব্যুনালের রায়-

গত ১৭ নভেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ ছয়টি অপরাধমূলক ঘটনার দুটি অভিযোগে শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খানের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় মৃত্যুদণ্ড ঘোষণা করে। একই মামলায় সাবেক পুলিশপ্রধান চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুনকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ এ রায় দেন।

রায়ে দণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনা (৭৮) ও আসাদুজ্জামান খানের সম্পদ রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়। পাশাপাশি জুলাই আন্দোলনের শহীদদের পরিবার ও আহতদের ক্ষতিপূরণ দিতে সরকারকে নির্দেশ দেওয়া হয়।

আপিলের সময়সীমা-

রায় ঘোষণার পরদিন প্রসিকিউটর গাজী মোনাওয়ার হুসাইন তামীম জানান, রায় ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করতে হবে। এ সময় পেরিয়ে গেলে আপিলের সুযোগ থাকবে না।

আইন অনুযায়ী আপিল করার পর ৬০ দিনের মধ্যে তা নিষ্পত্তি করতে হবে।

ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়ার বিধান-

ভোটার তালিকা আইন, ১৩ (ঘ) ধারা অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনাল) আইনে অপরাধী সাব্যস্ত হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ যাবে।

আরপিও সংশোধনের প্রস্তাব-

কর্মশালায় সচিব আখতার আহমেদ আরও জানান, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) আবারও সংশোধনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

সূত্র: বিডি প্রতিদিন

Leave Your Comments