অনলাইন ডেক্স:
হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারীদের
ব্যক্তিগত বার্তা পুরোপুরি নিরাপদ-মেটার এমন দাবির সত্যতা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে বিতর্ক
শুরু হয়েছে। ব্যবহারকারীদের তথাকথিত ব্যক্তিগত বার্তা সংরক্ষণ ও বিশ্লেষণের মাধ্যমে
সেগুলোতে মেটার প্রবেশাধিকার থাকতে পারে-এমন অভিযোগে প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে মামলা
দায়ের করা হয়েছে।
সান ফ্রান্সিসকোর ডিস্ট্রিক্ট
আদালতে করা ওই মামলায় অভিযোগ করা হয়, হোয়াটসঅ্যাপের গোপনীয়তা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার
বিষয়ে ব্যবহারকারীদের বিভ্রান্ত করেছে মেটা। ব্লুমবার্গ এক প্রতিবেদনে এই মামলার বিষয়টি
প্রকাশ করেছে।
দীর্ঘদিন ধরে হোয়াটসঅ্যাপের
সবচেয়ে বড় নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য হিসেবে এন্ড-টু-এন্ড এনক্রিপশনের কথা বলে আসছে মেটা।
এই প্রযুক্তির মাধ্যমে বার্তা এমনভাবে এনক্রিপ্ট করা হয়, যাতে কেবল প্রেরক ও প্রাপকই
তা পড়তে পারেন। মেটার দাবি, এই সুবিধা হোয়াটসঅ্যাপে ডিফল্টভাবেই সক্রিয় থাকে। তবে মামলায়
বলা হয়েছে, বাস্তবে এই এনক্রিপশন ব্যবস্থার বাইরেও ব্যবহারকারীদের যোগাযোগে প্রবেশের
সুযোগ থেকে যেতে পারে।
মামলার অভিযোগ প্রত্যাখ্যান
করেছে মেটা। ব্লুমবার্গকে দেওয়া এক বিবৃতিতে মেটার মুখপাত্র অ্যান্ডি স্টোন বলেন, হোয়াটসঅ্যাপের
বার্তাগুলো এনক্রিপ্টেড নয়-এমন দাবি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। তিনি জানান, সিগন্যাল
প্রোটোকল ব্যবহার করে এক দশকেরও বেশি সময় ধরে হোয়াটসঅ্যাপ এন্ড-টু-এন্ড এনক্রিপশন নিশ্চিত
করে আসছে। মেটার মতে, মামলাটি বাস্তবতা থেকে বিচ্ছিন্ন।
ওই প্রতিবেদনে আরও বলা
হয়, অস্ট্রেলিয়া, ব্রাজিল, ভারত, মেক্সিকো ও দক্ষিণ আফ্রিকার কয়েকজন নাগরিক যৌথভাবে
এই মামলা করেছেন। তাদের অভিযোগ, হুইসেলব্লোয়ারদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যে জানা গেছে-মেটার
কিছু কর্মীর কাছে ব্যবহারকারীদের বার্তা ও যোগাযোগে প্রবেশের সুযোগ রয়েছে। এদিকে যুক্তরাষ্ট্রে
এনক্রিপ্টেড মেসেজিং অ্যাপ সিগন্যাল নিয়ে আলোচনা তুঙ্গে।
তথ্য-বিডিনিউজ/এম ডিউক