আইনজীবী দম্পতিকে কুপিয়ে জখম: মির্জাগঞ্জে মূল আসামি গ্রেপ্তার
Date: 2026-08-16
প্রিন্ট এর তারিখ: ||প্রকাশের তারিখ: আগস্ট ১৬, ২০২৬, ১০:৩৬ এ.এম
আইনজীবী দম্পতিকে কুপিয়ে জখম: মির্জাগঞ্জে মূল আসামি গ্রেপ্তার
অ-অ+
পটুয়াখালী প্রতিনিধি:
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে মাদক মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হওয়ায় ক্ষুব্ধ হয়ে নিজের আইনজীবী ও তার স্ত্রীকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করার অভিযোগে মো. জাকির হোসেন ফরাজী (৪২) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শনিবার (১৫ আগস্ট) দুপুরে মির্জাগঞ্জ থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশের দাবি, গ্রেপ্তার জাকির হোসেন ওই হামলার মূল আসামি।
পুলিশ ও মামলার সংশ্লিষ্টদের সূত্রে জানা যায়, গত ৯ আগস্ট বিকেলে মির্জাগঞ্জ উপজেলার ছৈলাবুনিয়া এলাকায় আইনজীবী মো. সামিউল আলম ও তার স্ত্রী শাহনাজ পারভীনের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। অভিযোগ রয়েছে, জাকির হোসেন ফরাজীর বিরুদ্ধে চলমান একটি মাদক মামলায় আদালত তার নামে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। বিষয়টি জানতে পেরে তিনি নিজের আইনজীবী সামিউল আলমের ওপর ক্ষুব্ধ হন।
ঘটনার দিন সামিউল আলম ছৈলাবুনিয়া এলাকায় অবস্থান করছেন জানতে পেরে জাকির হোসেন কয়েকজন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে সঙ্গে নিয়ে মোটরসাইকেলে সেখানে যান। পরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে সামিউল আলমকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয় বলে অভিযোগ। স্বামীকে রক্ষা করতে এগিয়ে গেলে তার স্ত্রী শাহনাজ পারভীনকেও কুপিয়ে আহত করা হয়। তাদের চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা আহত দুজনকে উদ্ধার করে বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন।
ঘটনার পর মির্জাগঞ্জ থানা পুলিশ ও জেলা গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) একাধিক দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। পুলিশ বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহের পাশাপাশি তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় হামলার সঙ্গে জাকির হোসেনের সরাসরি সম্পৃক্ততার তথ্য পায় বলে জানিয়েছে।
পুলিশ আরও জানায়, ঘটনার পর জাকির হোসেন এক স্থানে বেশিক্ষণ অবস্থান না করে দ্রুত অবস্থান পরিবর্তন করছিলেন। এতে তাকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে কিছুটা বেগ পেতে হয়। পরে শনিবার দুপুরে অভিযান চালিয়ে তাকে মির্জাগঞ্জ থানা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশের তথ্যমতে, জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে মাদকসহ একাধিক মামলা রয়েছে। তার বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসা ও বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগও রয়েছে।
মির্জাগঞ্জ থানায় এ ঘটনায় নিয়মিত মামলা করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, মামলাটির তদন্ত চলছে। হামলার ঘটনায় আরও কেউ জড়িত বা সহযোগিতা করেছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। জড়িত অন্যদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
We may use cookies or any other tracking technologies when you visit our website, including any other media form, mobile website, or mobile application related or connected to help customize the Site and improve your experience.
learn more