প্রিন্ট এর তারিখ: ||প্রকাশের তারিখ: আগস্ট ১৬, ২০২৬, ৫:০৪ এ.এম
হরমুজ প্রণালি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাত চরমে
অ-অ+
অনলাইন ডেস্ক:
আন্তর্জাতিক সংঘাত ও হরমুজ প্রণালিতে সামরিক অবরোধকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের মধ্যকার উত্তেজনা এখন চরম আকার ধারণ করেছে। বিশ্বের মোট জ্বালানি তেল সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ পরিবাহিত হওয়া এই কৌশলগত জলপথটি কার্যত অচল হয়ে পড়ায় বিশ্ববাজারে তৈরি হয়েছে তীব্র অস্থিরতা। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রকে পরাজয়ের বাস্তবতা মেনে নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে ইরানের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম গরিবাবাদি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে, কোনো টুইট, বিমানবাহী রণতরি কিংবা নির্বাচনী বক্তৃতা দিয়ে এই প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নেওয়া সম্ভব নয় এবং ইরানের শর্ত পূরণ না হওয়া পর্যন্ত এই অবরোধ বলবৎ থাকবে। অন্যদিকে, ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচিও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো ধরনের চুক্তি বা আলোচনা শুরুর কথা অস্বীকার করে শর্ত মেনে নেওয়ার তাগিদ দিয়েছেন।
এই সংঘাতের প্রত্যক্ষ প্রভাব পড়তে শুরু করেছে দুই দেশের অর্থনীতি ও রাজনীতিতে। আমেরিকান অটোমোবাইল অ্যাসোসিয়েশনের তথ্যমতে, যুক্তরাষ্ট্রে এক গ্যালন পেট্রোলের গড় দাম ২৯ শতাংশ বেড়ে প্রায় ৪.০৮ ডলারে পৌঁছেছে, যা আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনে ক্ষমতাসীনদের জন্য বড় ধরনের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে। তবে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মার্কিন জনগণকে কিছুটা বাড়তি দাম সহ্য করার আহ্বান জানিয়ে দাবি করেছেন, ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে বিরত রাখার তুলনায় এই আর্থিক কষ্ট অত্যন্ত সামান্য। অন্যদিকে, মার্কিন নৌ-অবরোধ ও তেল রপ্তানির ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞার ফলে অর্থনৈতিক সংকটে পড়েছে ইরানও। দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান রাষ্ট্রীয় টিভিতে দেওয়া বক্তব্যে উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও বন্দরের অচলাবস্থার জন্য সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রের এই অর্থনৈতিক ও সামরিক ব্লকেডকে দায়ী করেছেন।
We may use cookies or any other tracking technologies when you visit our website, including any other media form, mobile website, or mobile application related or connected to help customize the Site and improve your experience.
learn more