প্রিন্ট এর তারিখ: ||প্রকাশের তারিখ: আগস্ট ১৬, ২০২৬, ৫:১১ এ.এম
জান্তার দ্বিমুখী নীতি, সংকটে আসিয়ান
অ-অ+
অনলাইন ডেস্ক:
মিয়ানমারের বর্তমান সামরিক জান্তা সরকারের সঙ্গে সমঝোতা বা তাদের মূলধারায় ফিরিয়ে আনার যেকোনো চেষ্টা আঞ্চলিক সংস্থা দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় দেশগুলোর জোট (আসিয়ান)-এর জন্য চড়া মাশুল ডেকে আনতে পারে বলে সতর্ক করেছেন ভূরাজনৈতিক বিশ্লেষক ও ওয়াশিংটনভিত্তিক বর্মি সাংবাদিক নিয়েন চান আয়ে।
সম্প্রতি প্রকাশিত এক বিশ্লেষণী কলামে তিনি উল্লেখ করেন, যদি নেইপিদোর (মিয়ানমার জান্তা) সঙ্গে আসিয়ানের নির্ধারিত শর্তগুলোর বাইরে গিয়ে আলাদা আলাদাভাবে দর-কষাকষি বা দ্বিপক্ষীয় যোগাযোগ চলতে থাকে, তবে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ‘আসিয়ান শক্তি’ বা জোটটির ঐক্য কেবল কাগজে-কলমেই সীমাবদ্ধ হয়ে পড়বে।
বন্দী-কূটনীতি ও জান্তার কৌশল: নিবন্ধে মিয়ানমারের ওপর সামরিক জান্তার নিয়ন্ত্রণ ও অং সান সু চিকে ব্যবহার করে তাদের ‘বন্দী-কূটনীতি’ চর্চার বিষয়টি তুলে ধরা হয়। সামরিক জান্তাপ্রধান মিন অং হ্লাইংয়ের থাইল্যান্ড সফরের মাত্র কিছুদিন আগে আন্তর্জাতিক রেডক্রসের প্রতিনিধিকে সু চির সঙ্গে দেখা করার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। আসিয়ান প্রাথমিকভাবে এই পদক্ষেপকে ইতিবাচক বলে স্বাগত জানালেও, এর পরপরই আবার সুর বদলে ফেলে মিয়ানমারের সামরিক জান্তা। সু চিকে নিঃশর্ত মুক্তি দেওয়ার জন্য আসিয়ানের সার্বিক ও সুনির্দিষ্ট আহ্বান থাকা সত্ত্বেও মিয়ানমার শাসকগোষ্ঠী তা কৌশলে পাশ কাটিয়ে তাদের অবস্থানের রূপ পরিবর্তন করছে।
আসিয়ানের জন্য বার্তা: বিশ্লেষণে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে যে, আন্তর্জাতিক চাপ এড়াতে এবং নিজেদের বৈধতা জোগাড় করতে জান্তা সরকার কৌশলী পদক্ষেপ নিচ্ছে। আসিয়ান যদি দৃঢ় অবস্থান না নিয়ে পৃথকভাবে জান্তাকে সুবিধা বা ছাড় দিতে থাকে, তবে মিয়ানমারের গৃহযুদ্ধ ও রাজনৈতিক সংকট নিরসনে জোটটির নেওয়া মূল প্রস্তাবনা ও ভূমিকা বড় ধরনের ধাক্কা খাবে।
We may use cookies or any other tracking technologies when you visit our website, including any other media form, mobile website, or mobile application related or connected to help customize the Site and improve your experience.
learn more