বাউফলে ভুল ওষুধ দেওয়ার অভিযোগ, স্ট্রোক করে বাকশক্তি হারালেন বৃৃদ্ধ
Date: 2026-07-10
প্রিন্ট এর তারিখ: ||প্রকাশের তারিখ: জুলাই ১০, ২০২৬, ১২:৩৪ পি.এম
বাউফলে ভুল ওষুধ দেওয়ার অভিযোগ, স্ট্রোক করে বাকশক্তি হারালেন বৃৃদ্ধ
অ-অ+
বাউফল (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর বাউফলে মাথা ঠান্ডার ওষুধের পরিবর্তে ঘুমের ওষুধ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে একটি ফার্মেসির বিরুদ্ধে। স্বজনদের দাবি, ওই ওষুধ সেবনের কয়েকদিন পর স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে বাকশক্তি হারান আবুল তালুকদার (বয়স আনুমানিক ৭০), পরে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আবুল তালুকদার উপজেলার সদর ইউনিয়নের বাঁশবাড়িয়া গ্রামের মৃত নুরু তালুকদারের ছেলে। স্বজনদের অভিযোগ, গত বুধবার দুপুরে শারীরিক অসুস্থতা অনুভব করলে আবুল তালুকদার বাঁশবাড়িয়া সোমবারের বাজারের একটি ফার্মেসিতে চিকিৎসা নিতে যান। সেখানে ফার্মেসির মালিক আশরাফ হাওলাদারের ছেলে কবির হাওলাদার মাথা ঠান্ডার ওষুধের পরিবর্তে ঘুমের ওষুধ দেন। ওই ওষুধ কয়েকদিন সেবনের পর তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং পরে স্ট্রোকে আক্রান্ত হন। অবস্থার অবনতি হলে তাকে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। বৃদ্ধের ছেলে রাকিব তালুকদার বলেন, “আমি ঢাকায় চাকরি করি। পরিবারের সদস্যরা স্থানীয় ওই ফার্মেসি থেকেই নিয়মিত ওষুধ কিনে আনেন। মাথা ঠান্ডার ওষুধ আনতে গেলে আমার বাবাকে ঘুমের ওষুধ দেওয়া হয়। প্রায় এক সপ্তাহ ওষুধ খাওয়ার পর তিনি অজ্ঞান হয়ে যান। এখনও তার পুরোপুরি জ্ঞান ফেরেনি।” অভিযোগের বিষয়ে জানতে ফার্মেসি ব্যবসায়ী কবির হাওলাদারের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সেটি বন্ধ পাওয়া যায়। ফলে তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. মিয়াদ হাসান বলেন, “স্ট্রোকে আক্রান্ত রোগীকে ঘুমের ওষুধ দেওয়ার কোনো যৌক্তিকতা নেই। স্বজনদের ভাষ্যমতে, স্থানীয় একটি দোকান থেকে সাত দিন আগে ওই ওষুধ নেওয়া হয়েছিল। এতদিন পর সেটি ওয়াশ করার সুযোগ নেই। রোগীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।”
We may use cookies or any other tracking technologies when you visit our website, including any other media form, mobile website, or mobile application related or connected to help customize the Site and improve your experience.
learn more