প্রিন্ট এর তারিখ: ||প্রকাশের তারিখ: জুন ০৯, ২০২৬, ১:৪১ পি.এম
বিমানবন্দরে নকল সিগারেট ব্যান্ডরোল জব্দ
অ-অ+
অনলাইন ডেস্ক: ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে একটি আমদানি চালান থেকে বিপুল পরিমাণ নকল সিগারেট ব্যান্ডরোল জব্দ করেছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। জব্দ করা চালানটিতে মোট ৯ লাখ ৬০
হাজার পিস জাল প্রিন্টেড স্ট্যাম্প পাওয়া গেছে, যা ব্যবহার করে
বাজারে সিগারেট সরবরাহ করা হলে সরকারের কয়েক কোটি টাকার রাজস্ব ক্ষতির আশঙ্কা ছিল। কাস্টমস সূত্র জানায়, চীনের সাংহাই থেকে সিঙ্গাপুর এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে চার কার্টনের চালান দেশে আসে। আমদানি নথিতে পণ্যের বিবরণ হিসেবে হ্যান্ড ট্যাগ, প্রাইস লেবেল ও ওভেন লেবেল
স্যাম্পল উল্লেখ করা হলেও কাস্টমস কর্মকর্তাদের সন্দেহের ভিত্তিতে চালানটি বিস্তারিত পরীক্ষা করা হয়। শতভাগ কায়িক পরীক্ষার সময় প্রতিটি কার্টনে ২ লাখ ৪০
হাজার করে মোট ৯ লাখ ৬০
হাজার নকল সিগারেট স্ট্যাম্প পাওয়া যায়। পরে তদন্তে দেখা যায়, চালানটির বিপরীতে কোনো বিল অব এন্ট্রি জমা
দেওয়া হয়নি এবং ব্যবহৃত ব্যবসায়িক শনাক্তকরণ নম্বর (ইওঘ) যাচাই করে বৈধ কোনো প্রতিষ্ঠানের অস্তিত্বও পাওয়া যায়নি। কাস্টমসের অনুসন্ধানে আরও উঠে এসেছে যে, একজন ব্যক্তির পরিচয় ব্যবহার করে একাধিক চালান দেশে আনা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি এসব চালান সম্পর্কে অবগত নন বলে দাবি
করেছেন। এ ছাড়া বিভিন্ন
আমদানি নথিতে আমদানিকারকের নাম ও প্রতিষ্ঠানের তথ্যের
মধ্যে অসঙ্গতি পাওয়া গেছে, যা ঘটনাটিকে আরও
সন্দেহজনক করে তুলেছে। কর্তৃপক্ষের ধারণা, কিছু ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের সমন্বিত
যোগসাজশে ভুয়া তথ্য ব্যবহার করে নকল ব্যান্ডরোল দেশে আনার চেষ্টা করা হয়েছে। কাস্টমসের হিসাব অনুযায়ী, এসব স্ট্যাম্প ব্যবহার করে সিগারেট বাজারজাত করা সম্ভব হলে প্রায় ৯ কোটি ৪৪
লাখ টাকার রাজস্ব ফাঁকি দেওয়া হতো। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের বিধান অনুযায়ী, সিগারেটের ব্যান্ডরোল বা স্ট্যাম্প শুধুমাত্র
বাংলাদেশ সিকিউরিটি প্রিন্টিং করপোরেশন থেকে সংগ্রহ করা যায়। ফলে বিদেশ থেকে এ ধরনের স্ট্যাম্প
আমদানির কোনো বৈধ সুযোগ নেই। ঘটনার পর কাস্টমস আইন-২০২৩, বৈদেশিক মুদ্রা নিয়ন্ত্রণ আইন, আমদানি-রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ আইন এবং বিশেষ ক্ষমতা আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বিমানবন্দর থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। জড়িত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে
তদন্ত অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। কাস্টমস কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, অবৈধ আমদানি ও চোরাচালান প্রতিরোধে
নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে এবং জাতীয় রাজস্ব সুরক্ষায় এ ধরনের অপরাধের
বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা অব্যাহত
We may use cookies or any other tracking technologies when you visit our website, including any other media form, mobile website, or mobile application related or connected to help customize the Site and improve your experience.
learn more