পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে দাবীকৃত চাঁদা না দেওয়ায়
নির্মল দাস (৫০) নামে এক ফল ব্যবসায়ীকে মারধর করার অভিযোগ উঠেছে উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক
সম্পাদক মোঃ সুজন সিকদারের বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত বিএনপি নেতা ও তার সহযোগীদের বিচারের
দাবিতে সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে মির্জাগঞ্জ প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেছেন
ভুক্তভোগী ওই ব্যবসায়ী।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে নির্মল দাস
জানান, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সুজন সিকদার দীর্ঘদিন ধরে তার কাছে ৫ লক্ষ
টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিলেন। গত রোববার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে তিনি বাসা থেকে সুবিদখালী
বন্দরে নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে যাওয়ার সময় সুজন সিকদার তার পথরোধ করেন এবং পুনরায় চাঁদা
দাবি করেন।
ব্যবসায়ী নির্মল বলেন, "আমি চাঁদা দিতে
অপারগতা জানালে সুজন সিকদার এবং তার সাথে থাকা আব্বাস সিকদার ও ইব্রাহীমসহ ৭-৮ জন লোক
আমাকে এলোপাতাড়ি মারধর করে আহত করে। এ বিষয়ে কাউকে কিছু জানালে তারা আমাকে প্রাণনাশের
হুমকিও দেয়।" বর্তমানে তিনি ও তার পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন উল্লেখ করে
সাংবাদিকদের মাধ্যমে প্রশাসনের কাছে সুষ্ঠু বিচার দাবি করেন। এ ঘটনায় তিনি রাতেই সুজন
সিকদারকে প্রধান আসামি করে মির্জাগঞ্জ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগের বিষয়ে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে বিএনপি
নেতা সুজন সিকদার চাঁদা দাবির বিষয়টি সম্পূর্ণ অস্বীকার করেন। তিনি দাবি করেন: অভিযোগটি
মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। নির্মল দাসের ছেলে ঋত্বিক দাস মাদক সেবন ও মাদকসেবীদের সাথে চলাফেরা
করেন। ছেলের কুসঙ্গ ত্যাগ করাতে বলায় নির্মল দাস ছেলেকে বাঁচাতে উল্টো তার বিরুদ্ধে
মিথ্যা চাঁদাবাজির অভিযোগ এনেছেন। মারধরের কোনো ঘটনা ঘটেনি, কেবল কথা কাটাকাটির এক
পর্যায়ে হাতাহাতি হয়েছে।
এ বিষয়ে মির্জাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
(ওসি) মোঃ আবদুস ছালাম জানান, ব্যবসায়ীকে মারধরের অভিযোগে নির্মল দাস থানায় একটি লিখিত
অভিযোগ দিয়েছেন। বিষয়টি গুরুত্বের সাথে তদন্ত করা হচ্ছে এবং আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা
গ্রহণ করা হবে।
We may use cookies or any other tracking technologies when you visit our website, including any other media form, mobile website, or mobile application related or connected to help customize the Site and improve your experience.
learn more