প্রিন্ট এর তারিখ: ||প্রকাশের তারিখ: জুলাই ১৩, ২০২৬, ৪:৪০ এ.এম
চুয়েটে গাঁজা সেবনের অভিযোগে ৮ শিক্ষার্থী বহিষ্কার
অ-অ+
অনলাইন ডেস্ক:
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) একটি আবাসিক হলে গাঁজা সেবনের দায়ে আট শিক্ষার্থীকে দুই বছরের জন্য সাময়িক একাডেমিক বহিষ্কার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ, যার পাশাপাশি তাদের আবাসিক হল থেকেও স্থায়ীভাবে বহিষ্কারের আদেশ দেওয়া হয়েছে। গতকাল সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টুডেন্টস ডিসিপ্লিন কমিটির সদস্যসচিব ও ছাত্রকল্যাণ অধিদপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. সাইফুল ইসলাম স্বাক্ষরিত পৃথক প্রজ্ঞাপনে এই কড়া শাস্তিমূলক সিদ্ধান্তের কথা আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়। বহিষ্কৃতদের তালিকায় রয়েছেন মেকাট্রনিক্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইঞ্জিনিয়ারিং, ওয়াটার রিসোর্সেস অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং, ম্যাটেরিয়ালস অ্যান্ড মেটালার্জিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং এবং যন্ত্রকৌশল বিভাগের বিভিন্ন বর্ষের আট শিক্ষার্থী। প্রজ্ঞাপন সূত্রে জানা গেছে, গত ৯ জুলাই দিবাগত রাত আনুমানিক পৌনে বারোটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ আবু সাঈদ হলের ৫২৯ নম্বর কক্ষে সহকারী প্রভোস্টরা আকস্মিক একটি মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করেন এবং সেসময় ওই কক্ষে শিক্ষার্থীদের গাঁজা সেবনরত অবস্থায় হাতেনাতে ধরা হয়। পরবর্তীতে কক্ষটিতে তল্লাশি চালিয়ে বেশ কিছু পরিমাণ গাঁজা ও মাদক সেবনের বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করেন হল প্রশাসন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সহকারী প্রভোস্টদের লিখিত অভিযোগ, হল প্রভোস্টের সুপারিশ এবং জব্দকৃত আলামত যাচাই-বাছাই শেষে স্টুডেন্টস ডিসিপ্লিন কমিটির বিশেষ সভায় অভিযোগের সত্যতা প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হয়েছে। এরই প্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের 'মাদক প্রতিরোধ নীতিমালা, চুয়েট-২০১৬' অনুযায়ী তাদের এই ন্যূনতম শাস্তি প্রদান করা হয়েছে, যা আগামী দুই বছর পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। তবে ন্যূনতম শাস্তি আরোপ করা হলেও নীতিমালা অনুযায়ী কেন তাদের বিরুদ্ধে আরও কঠোর এবং চূড়ান্ত শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, সে বিষয়ে আগামী ২৬ জুলাইয়ের মধ্যে শিক্ষার্থীদের সশরীরে উপস্থিত হয়ে নিজ হাতে লেখা লিখিত জবাব দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া অভিযুক্ত শিক্ষার্থীরা চাইলে আগামী ২৭ জুলাই অনুষ্ঠিতব্য ডিসিপ্লিন কমিটির সভায় সশরীরে উপস্থিত হয়ে নিজেদের পক্ষে ব্যক্তিগত শুনানিতে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবেন বলেও প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে। চুয়েট প্রশাসনের এমন কঠোর অবস্থানকে সাধুবাদ জানিয়ে সাধারণ শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে মাদকমুক্ত শিক্ষার পরিবেশ বজায় রাখার ব্যাপারে প্রশাসনের এই জিরো টলারেন্স নীতি সর্বদা বজায় রাখার দাবি জানিয়েছেন।
We may use cookies or any other tracking technologies when you visit our website, including any other media form, mobile website, or mobile application related or connected to help customize the Site and improve your experience.
learn more