অনলাইন ডেস্ক: আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মানবতাবিরোধী
অপরাধের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) সভাপতি হাসানুল হক
ইনু–এর বিরুদ্ধে রায় যেকোনো দিন ঘোষণা করা হতে পারে। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) রাষ্ট্র ও
আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রাখেন ট্রাইব্যুনাল। রাষ্ট্রপক্ষ দাবি করেছে, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের
সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা– কে উসকানি ও প্ররোচনা
দেওয়ার ক্ষেত্রে ইনুর ভূমিকা ছিল। প্রসিকিউশনের ভাষ্য অনুযায়ী, আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন
জোটের অন্যতম শীর্ষ নেতা হিসেবে তার ওপর ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দায়ও বর্তায়। এ কারণে
তার সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড চাওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, আসামিপক্ষ আদালতে দাবি করেছে
যে, ইনুর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের পক্ষে পর্যাপ্ত প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেনি প্রসিকিউশন।
শেখ হাসিনার সঙ্গে তার টেলিফোন আলাপের রেকর্ডেও আন্দোলন দমনে সহিংসতা বা নির্যাতনের
কোনো নির্দেশনা ছিল না বলে দাবি করেন আইনজীবীরা। তাই তারা আদালতের কাছে ইনুর খালাস
প্রার্থনা করেন। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে অংশ নেন চিফ প্রসিকিউটর
আমিনুল ইসলাম, প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম ও ফারুক আহাম্মদ। আসামিপক্ষে ছিলেন আইনজীবী
মুনসুরুল হক চৌধুরী ও সিফাত মাহমুদ। গত বছরের ১ ডিসেম্বর মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ
শুরু হয়। এর আগে ২৫ সেপ্টেম্বর ট্রাইব্যুনালে ইনুর বিরুদ্ধে আটটি সুনির্দিষ্ট অভিযোগ
দাখিল করা হয়। ২০২৪ সালের ২৬ আগস্ট তাকে আটক করা হয় এবং পরে কুষ্টিয়ায় ছয়জন হত্যার
ঘটনায় দায়ের হওয়া মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। তথ্য-জাগোবিডি বিডিফেস/ মেহেদী হাসান দ্বীপ
We may use cookies or any other tracking technologies when you visit our website, including any other media form, mobile website, or mobile application related or connected to help customize the Site and improve your experience.
learn more