অনলাইন ডেক্স:
ইরানের দক্ষিণাঞ্চলে সাম্প্রতিক সামরিক উত্তেজনাকে কেন্দ্র করে
নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। শহরের একটি মেয়েদের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে হামলার ঘটনায় নিহতের
সংখ্যা ৪০ জনে পৌঁছেছে বলে জানিয়েছে রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা (ইরনা)।
সংস্থাটির প্রতিবেদনে বলা হয়, শিক্ষার্থীদের মৃত্যুর ঘটনায় দেশজুড়ে
গভীর শোক নেমে এসেছে। ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত ও নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে। মিনাবের এই বিদ্যালয়টি এখন চলমান ইরান-ইসরায়েল সংঘাতের আলোচনায়
গুরুত্বপূর্ণ স্থানে উঠে এসেছে।
এদিকে ইসরায়েলি হামলায় ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)-এর
স্থল শাখার প্রধান জেনারেল নিহত হয়েছেন বলে ধারণা করছে ইসরায়েলি প্রশাসন।
প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের বিশ্বাস, ওই হামলায়
পাকপুর ছাড়াও ইরানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ও গোয়েন্দা প্রধানও প্রাণ হারাতে পারেন। তবে
এ বিষয়ে এখনো তেহরান বা (আইডিএফ) আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো নিশ্চিত তথ্য দেয়নি।
উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের জুনে শুরু হওয়া সংঘাতের শুরুর দিকে তৎকালীন
আইআরজিসি প্রধান নিহত হওয়ার পর মোহাম্মদ পাকপুর দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
শনিবারের এই হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা এবং প্রেসিডেন্ট সহ শীর্ষ
রাজনৈতিক ও সামরিক নেতৃত্বকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে।
তবে হামলার চূড়ান্ত ক্ষয়ক্ষতি ও ফলাফল এখনো স্পষ্ট নয়।
পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে আঞ্চলিক উত্তেজনাও বেড়েছে। ইরাকভিত্তিক
ইরানপন্থী সশস্ত্র গোষ্ঠী তাদের একটি ঘাঁটিতে হামলার জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে দায়ী করেছে
এবং পাল্টা জবাবের হুঁশিয়ারি দিয়েছে।
এদিকে বিদেশে অবস্থানরত নাগরিকদের জন্য সতর্কতা জারি করেছে ইসরায়েলের
জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ। তারা জানিয়েছে, সাম্প্রতিক ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় বিশ্বজুড়ে ইসরায়েলি
ও ইহুদি লক্ষ্যবস্তুতে হামলার ঝুঁকি বেড়েছে। নাগরিকদের সতর্ক থাকা, জনসমাগম এড়িয়ে চলা
এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভ্রমণসংক্রান্ত তাৎক্ষণিক তথ্য প্রকাশ না করার পরামর্শ
দেওয়া হয়েছে।
তথ্য- বিডিপ্রতিদিন
বিডিফেস/শিমু