অনলাইন ডেক্স: দীর্ঘ কয়েক মাসের তুলনামূলক শান্তির পর
মধ্যপ্রাচ্যে আবারও তীব্র উত্তেজনা দেখা দিয়েছে।এর মধ্যে নতুন করে সামরিক পাল্টাপাল্টি
হামলার ঘটনায় পুরো অঞ্চলজুড়ে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, ইরানের
সামরিক ও পারমাণবিক সক্ষমতা ঠেকাতে তাদের অভিযান ছিল প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ। ইসরায়েলি সূত্র
দাবি করেছে, যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগিতায় পরিচালিত ওই অভিযানে ইরানের কয়েকটি কৌশলগত স্থাপনা
লক্ষ্যবস্তু করা হয়। অন্যদিকে তেহরান এই হামলাকে “অগ্রহণযোগ্য ও উসকানিমূলক” বলে অভিহিত
করেছে। এর কিছু সময় পরই ইসরায়েলের বিভিন্ন এলাকায়
সতর্কতা সাইরেন বেজে ওঠে। দেশটির প্রতিরক্ষা বাহিনী জানায়, ইরান থেকে একাধিক ব্যালিস্টিক
ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়েছে। ইসরায়েলের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা অধিকাংশ ক্ষেপণাস্ত্র
প্রতিহত করলেও কয়েকটি খোলা স্থানে আঘাত হেনেছে বলে প্রাথমিক তথ্য পাওয়া গেছে। সীমিত
ক্ষয়ক্ষতির খবর মিলেছে, তবে বড় ধরনের প্রাণহানির তথ্য নিশ্চিত হয়নি। এই পরিস্থিতিতে ইসরায়েলের জনজীবন আংশিকভাবে
স্থবির হয়ে পড়ে। রাজধানী তেল আবিবসহ বিভিন্ন শহরে নিরাপত্তা সতর্কতা জোরদার করা হয়েছে।
প্রধান আন্তর্জাতিক প্রবেশদ্বার সাময়িকভাবে ফ্লাইট কার্যক্রম স্থগিত ঘোষণা করেছে। একই
সঙ্গে বড় সমাবেশ ও জনসমাগমে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। হাসপাতালগুলো জরুরি প্রস্তুতি নিয়েছে এবং
প্রয়োজনীয় বিভাগগুলোকে সুরক্ষিত স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। সাধারণ নাগরিকদের অপ্রয়োজনীয়
বাইরে যাওয়া এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। যেসব বাসিন্দার নিজস্ব সুরক্ষিত আশ্রয়কক্ষ
নেই, তারা ভূগর্ভস্থ পার্কিং এলাকা ও মেট্রো স্টেশনে আশ্রয় নিচ্ছেন। আন্তর্জাতিক মহল থেকে সংযম প্রদর্শনের
আহ্বান জানানো হয়েছে। তবে পরিস্থিতি দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে এবং সামনের দিনগুলোতে উত্তেজনা
কোন দিকে গড়াবে তা এখনো অনিশ্চিত। মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে কূটনৈতিক
অঙ্গনে। তথ্য-বিডিপ্রতিদিন বিডিফেস/শিমু
We may use cookies or any other tracking technologies when you visit our website, including any other media form, mobile website, or mobile application related or connected to help customize the Site and improve your experience.
learn more