অনলাইন ডেস্ক:
ঈদের ছুটি শেষে রাজধানীমুখী মানুষের ঢল নামায় যমুনা
সেতু ও আশপাশের মহাসড়কে
তীব্র চাপ সৃষ্টি হয়েছে। অতিরিক্ত যানবাহনের কারণে সেতু এলাকায় দীর্ঘ যানজটের পাশাপাশি একের পর এক দুর্ঘটনা
পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায়
যমুনা সেতুর ওপর ছোট-বড় মিলিয়ে দুই
ডজনের বেশি দুর্ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনার মধ্যে কয়েকটিতে দুর্ঘটনাকবলিত যানবাহন সরাতে বিশেষ উদ্ধারযান ব্যবহার করতে হয়েছে। দুর্ঘটনার কারণে বিভিন্ন সময়ে সেতুর এক বা একাধিক
লেনে যান চলাচল বন্ধ থাকায় যানজট দ্রুত বিস্তৃত হয়।
দিনভর যানবাহনের চাপ অব্যাহত থাকায় সেতুর পশ্চিম প্রান্তে কয়েক কিলোমিটার দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয়। সন্ধ্যার পর পরিস্থিতি কিছুটা
স্বাভাবিক হলেও রাতে দুটি যাত্রীবাহী বাসের সংঘর্ষ নতুন করে সংকট তৈরি করে। এতে একজন নিহত হওয়ার পাশাপাশি কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
পুলিশ জানিয়েছে, দুর্ঘটনার পর ঢাকামুখী লেনে
যান চলাচল সাময়িকভাবে ব্যাহত হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় পরিবর্তন এনে উত্তরাঞ্চল থেকে রাজধানীগামী যানবাহন দ্রুত পারাপারের উদ্যোগ নেওয়া হয়।
সেতু কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তারা বলছেন, যানবাহনের সংখ্যা স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় কয়েকগুণ বেড়ে যাওয়ায় সামান্য কোনো দুর্ঘটনা বা বিকল যানবাহনও
বড় ধরনের যানজটের কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে। ঈদ মৌসুমে অতিরিক্ত
চাপের কারণে সড়ক ব্যবস্থাপনা বড় চ্যালেঞ্জে পরিণত
হয়েছে।
ভুক্তভোগী যাত্রী ও চালকদের অভিযোগ,
ঘণ্টার পর ঘণ্টা সড়কে
আটকে থাকায় যাত্রা সময় কয়েকগুণ বেড়ে গেছে। অনেককে একই দিনে একাধিক স্থানে যানজটের মুখোমুখি হতে হয়েছে।
এদিকে মহাসড়কের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সিসিটিভি ক্যামেরা ও ড্রোন প্রযুক্তি
ব্যবহার করছে। পাশাপাশি যাত্রীদের জন্য নিয়মিত ট্রাফিক তথ্য প্রকাশ করা হচ্ছে।
পরিবহন সংশ্লিষ্টদের মতে, স্বাভাবিক সময়ে মহাসড়কটিতে যে পরিমাণ যানবাহন
চলাচল করে, ঈদের সময় তা কয়েকগুণ বৃদ্ধি
পায়। ফলে যানজট, ধীরগতি এবং দুর্ঘটনার ঝুঁকি উল্লেখযোগ্য হারে বেড়ে যায়।
তথ্য:আমার সংবাদ/ বিডিফেস
মেহেদী হাসান দীপ