বাগেরহাট
সংবাদাতা:
বাগেরহাটের
মোড়লগঞ্জে এক সরকারি কর্মচারীর বিরুদ্ধে গৃহবধূকে বর্বরভাবে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে।
৮ মাসের অন্তঃসত্ত্বা ভুক্তভোগী শ্রাবণী মৃধা গুরুতর অবস্থায় পিরোজপুর সদর হাসপাতালে
চিকিৎসা নিয়েছেন।
শ্রাবণী
মোড়েলগঞ্জের মহিষপুরা গ্রামের উজ্জল হালদারের স্ত্রী। উজ্জল বাগেরহাট মংলা উপজেলার
কৃষি অফিসের অফিস সহকারী ও কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক।
ভুক্তভোগী
জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে আটটার দিকে উজ্জল এবং তার মা শুক্লা হালদার তাঁকে
একটি কক্ষে ধরে রাখে এবং যৌন নির্যাতন চালায়। চিৎকারে প্রতিবেশীরা এসে তাকে উদ্ধার
করেন। পরে শ্রাবণীকে পিরোজপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
শ্রাবণীর
বাবা শেখর চন্দ্র মৃধা জানান, তার মেয়েকে বিয়ের পর থেকেই সন্তান নেওয়ার জন্য চাপ
দেওয়া হচ্ছিল। এক পর্যায়ে সন্তান সম্ভাবা হলে ডাক্তার দেখানো হয় এবং আলট্রাসনো করা
হয়। ডাক্তার গর্ভের সন্তান ছেলে বা মেয়ে সে সম্পর্কে পরিবারকে অবগত না করলে ভুক্তভোগীর স্বামী উজ্জ্বল এবং তার মা শুক্লা হালদার
ভেবে নেয় গর্ভে সন্তান মেয়ে, ফলে উজ্জল ও তার মা শিশুটিকে নষ্ট করার চেষ্টা করেছিলেন।
প্রতিবাদ করায় শ্রাবণীকে নির্মমভাবে নির্যাতন করা হয়েছে।
পিরোজপুর
সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাক্তার মোঃ নিজাম উদ্দিন জানান, ভুক্তভোগীর
যৌনাঙ্গে গুরুতর আঘাতের চিহ্ন রয়েছে এবং সেখানে একাধিক সেলাই করা হয়েছে। শনিবার বিকেলে
তাকে হাসপাতাল থেকে ছাড়া দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে
জানতে উজ্জল হালদারের মোবাইলে একাধিকবার কল
করা হলে, তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
এ ঘটনায়
এখন পর্যন্ত কোন মামলা দায়ের করা হয়নি বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগীর পরিবার।