বাউফল (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর বাউফলে পৈতৃক জমি দখল, নির্মাণকাজে
বাধা, প্রাণনাশের হুমকি এবং বিল্ডিং কোড লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন
অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী ও রেমিট্যান্স যোদ্ধা শওকত আরা বেগম মুন্নি। মঙ্গলবার (২৭ মে) উপজেলার একটি মিলনায়তনে
আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তার পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ছোট ভাই ও বৈধ প্রতিনিধি মো.
আসাদুর রহমান সুমন। লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, বাউফল পৌরসভার
জে.এল নং-১২৩, খতিয়ান নং-৮০৩ ও দাগ নং-১৭৫-এর ৬১ শতাংশ পৈতৃক জমিতে স্থাপনা নির্মাণ
করতে গেলে তার বোন নার্গিস আরা স্বপ্না ও দুলাভাই ফরিদ আহমেদ বাধা দিচ্ছেন। একাধিকবার
সার্ভেয়ার দিয়ে জমির সীমানা নির্ধারণ করা হলেও অভিযুক্তরা জোরপূর্বক জমি দখল করে রেখেছেন
বলে দাবি করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে আরও অভিযোগ করা হয়, জমি-সংক্রান্ত
বিরোধ নিষ্পত্তিতে একাধিক সালিশ বৈঠক হলেও কোনো কার্যকর সমাধান হয়নি। পরে বিষয়টি নিয়ে
যোগাযোগ করলে অভিযুক্ত পরিবারের সদস্যদের পক্ষ থেকে ভয়ভীতি ও বিভিন্ন ধরনের হুমকি দেওয়া
হয়। লিখিত বক্তব্যে আরও দাবি করা হয়, অভিযুক্তরা
জাতীয় ইমারত নির্মাণ বিধিমালা (বিএনবিসি) ও পৌরসভার বিল্ডিং কোড উপেক্ষা করে সীমানা
প্রাচীর ও স্থাপনা নির্মাণ করেছেন। এমনকি অভিযোগকারীর জমির অংশে জোরপূর্বক দেয়াল নির্মাণ
করে তাকে ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে বলেও উল্লেখ করা হয়। এ সময় “সেবা ক্লিনিক”, “কথামনি ডায়াগনস্টিক
সেন্টার” ও “সুরক্ষা ফার্মেসি” নামে পরিচালিত কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম নিয়েও
প্রশ্ন তোলা হয়। নিম্নমানের রিএজেন্ট ব্যবহার করে রোগীদের ভুল পরীক্ষার ফল দেওয়া হচ্ছে
বলে অভিযোগ তুলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি তদন্ত দাবি করা হয়। শওকত আরা বেগম মুন্নির দাবি, এ ঘটনায়
গত ৩ মে বাউফল থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হলেও এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো প্রতিকার পাওয়া
যায়নি। অভিযুক্তরা প্রভাবশালী হওয়ায় প্রশাসনিক সহায়তা পেতে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন
বলেও অভিযোগ করেন তিনি। সংবাদ সম্মেলনে অবিলম্বে জমি দখল ও নির্মাণকাজে
বাধা বন্ধ, বিল্ডিং কোড লঙ্ঘনকারী স্থাপনা অপসারণ, ব্যক্তিগত নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ
এবং হুমকিদাতাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়। তবে অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত
নার্গিস আরা স্বপ্না ও ফরিদ আহমেদ গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে অপারগতা প্রকাশ করেন।
We may use cookies or any other tracking technologies when you visit our website, including any other media form, mobile website, or mobile application related or connected to help customize the Site and improve your experience.
learn more