পটুয়াখালীর কমলাপুরে মিথ্যা মামলা করার প্রতিবাদে মানববন্ধন
অক্টোবর ১১, ২০২৬, ১২:৩৫ পি.এম
প্রিন্ট এর তারিখ: ||প্রকাশের তারিখ: অক্টোবর ১১, ২০২৬, ১২:৩৫ পি.এম
পটুয়াখালীর কমলাপুরে মিথ্যা মামলা করার প্রতিবাদে মানববন্ধন
অ-অ+
পটুয়াখালী প্রতিনিধি:
পটুয়াখালী সদর উপজেলা কমলাপুর ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ড বলাইকাঠী গ্রামে শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা ধর্ষণ চেষ্টার মামলা প্রত্যাহার ও আসল ঘটনা উদঘাটন করে সঠিক বিচারের দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করছে স্কুল শিক্ষার্থী ও স্থানীয় সচেতন যুব সমাজ সহ এলাকাবাসী।
রবিবার ১১" অক্টোবর- সকাল ১০ টায় ধরান্দী বাজার এলাকায় ঘন্টাব্যাপী এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।
উক্ত মানববন্ধনে সচেতন যুব সমাজের সোহেল মল্লিক বলেন, পুর্ব বিরোধের জের ধরে সুলতান আকনের স্ত্রী শাহানাজ বেগম বাদী হয়ে ৩ জন স্কুল শিক্ষার্থীসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে বিজ্ঞ নারী শিশু দমন ট্রাইব্যুনালে জোরপূর্বক ধর্ষন চেষ্টার একটি মামলা দায়ের করেন। ভিকটিম জামিলা (১৪), যাহার মামলা নং-৭৫১, মামলার তাং- ২৮/০৯/২৬, মামলায়,, সজিব আকন (১৪), ফয়সাল (১৬), সাব্বির (১৬) ও সলেমান (৩৫) সহ ৪ কে আসামি করা হয়েছে এর মধ্যে ৩ জন শিক্ষার্থী। যেখানে ঘটনার তাং- ২৩/০১/২৬ ইং উল্লেখ করা হয়েছে। ঘটনা ও মামলার মধ্যে ৯ মাসের ব্যবধান রয়েছে যাহা একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে মিথ্যা ও ষড়যন্ত্র বলে মনে করেন। এছাড়াও স্কুল শিক্ষার্থীদের জন্ম নিবন্ধন অনুযায়ী তাদের বয়স ১৪/১৬ বছর অথচ মামলায় ১৮ বছর উল্লেখ করে মামলা দায়ের করা হয়। বিষয়টি প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে উভয় পক্ষের ন্যায় বিচারের দাবি জানান।
মানববন্ধনে উপস্থিত স্থানীয় বাসিন্দা গিয়াস উদ্দিন মৃধা, কাসেম প্যাদা, রফিক মৃধা, ইউনুস মৃধা, শেফালী বেগম, শাহানারা বেগম, গনি আকন, রিজভী, মোসাঃ নিশাত, দিদার আলীসহ আর অনেকে বলেন এধরণের ঘটনা আমাদের এলাকায় কখনো ঘটেনি এবং শুনিওনি তবে উভয়ের মধ্যে জমি জামার বিরোধ শুনেছি। ধর্ষণ চেষ্টা করা হয়েছে হঠাৎ করে জানতে পেরে অবাক হলাম এবং সাজানো নাটক বলে মনে করছি। এছাড়াও উপস্থিত স্কুল শিক্ষার্থীরা তাদের সহপাঠীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও সঠিক তদন্তের মাধ্যমে মিথ্যা মামলাকারীর বিচার দাবি করেন।
এবিষয়ে কমলাপুর ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আঃ সালাম মৃধার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এধরণের কোন ঘটনা ঘটেছে বলে তার জানা নেই। মানববন্ধন হয়েছে শুনেছি স্কুলের ৩ জন ছাত্র আসামি করা হয়েছে। তবে উভয়ের জমি জমার বিষয়ে কয়েকবার মিমাংসার জন্য আসলে গ্রাম আদালতে বিষয়টি মিমাংসার চেষ্টা করা হয়েছে যাতে শান্তি শৃঙ্খলা বজায় থাকে। ৯ মাস আগের ঘটনা দেখিয়ে মামলা করায় তিনি মনে করেন স্থানীয় কারো ইন্দোন কিংবা পুর্বের জমি জামার বিরোধ নিয়ে এসব নাটকীয় মামলা সাজানো হয় বিষয়টি প্রশাসনকে ক্ষতিয়ে দেখার অনুরোধ জানান।
৫ নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য বাবুল হাওলাদার বলেন, আমার ওয়ার্ডের ঘটনা অথচ আমি নিজেও জানিনা আজ মানববন্ধনের পর জানতে পারলাম। বিগত দিনে এধরনের ঘটনা ঘটলে অবশ্যই শুনতাম এবং জানতাম। এছাড়াও ঘটনাটি শুনে নাটকীয় মনে হচ্ছে। যেহেতু বিজ্ঞ আদালতে মামলা হয়েছে তদন্তের মাধ্যমে সঠিক ঘটনা উদঘাটন করা হোক।
এ বিষয়ে বাদী পক্ষের বক্তব্য নেয়ার চেষ্টা করা হলেও তাদের উপস্থিত পাওয়া যায়নি।
We may use cookies or any other tracking technologies when you visit our website, including any other media form, mobile website, or mobile application related or connected to help customize the Site and improve your experience.
learn more