বিশ্ব ডেস্ক:
ড্রোন থেকে মিসাইল ছুড়ে যুদ্ধবিমান
ধ্বংসের ইতিহাস গড়ার পর এবার সাবমেরিন নির্মাণে নতুন অধ্যায় শুরু করল তুরস্ক। দেশটি
প্রথমবারের মতো নিজস্ব প্রযুক্তিতে সাবমেরিন মিলডেন-এর নির্মাণকাজ শুরু করেছে। বৃহস্পতিবার
তুরস্কের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
সাবমেরিন নির্মাণের পাশাপাশি ন্যাটো
জোটের সদস্য রোমানিয়ার কাছে প্রথম যুদ্ধজাহাজ রফতানির চুক্তিও সম্পন্ন করেছে আঙ্কারা।
মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ এএসএফএটি কোম্পানি রোমানিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আখিসার
লাইট করভেট সরবরাহের চুক্তিতে সই করেছে। ন্যাটো সদস্য কোনো দেশের কাছে এ ধরনের এটি
তুরস্কের প্রথম সামরিক জাহাজ রফতানি।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দেশীয় প্রতিরক্ষা
শিল্পে ব্যাপক বিনিয়োগ করেছে তুরস্ক। বিদেশি সরবরাহের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে আধুনিক প্রতিরক্ষা
সরঞ্জাম নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরির ওপর গুরুত্ব দিয়েছে দেশটি। গত সপ্তাহেই তুরস্ক ঘোষণা
করেছে ভবিষ্যৎ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার অংশ হিসেবে টিএফ-২০০০ শ্রেণির আকাশ প্রতিরক্ষা
ধ্বংসকারী জাহাজ নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে। এই জাহাজ ‘স্টিল ডোম’ নামের বহুস্তরীয় প্রতিরক্ষা
প্রকল্পের অংশ হবে।
তুরস্কের সামরিক সক্ষমতা নিয়ে বৈশ্বিক
আলোচনার সূত্রপাত ঘটে সম্প্রতি যখন দেশটির মানববিহীন যুদ্ধবিমান (ইউসিএভি) বায়রাকতার
কিজিলেলমা সফলভাবে আকাশ থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য বিভিআর মিসাইল ছুড়ে জেট ইঞ্জিনচালিত
চলন্ত লক্ষ্যবস্তুকে আঘাত করে। বায়কার জানায়, বিশ্বের প্রথম মানববিহীন যুদ্ধবিমান হিসেবে
এই সক্ষমতা প্রদর্শন করে কিজিলেলমা একটি নতুন মাইলফলক স্থাপন করেছে।
বায়কার তাদের এন-সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে
জানায়, বিশ্বের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো কোনো মানববিহীন যুদ্ধবিমান এতো দীর্ঘ দূরত্বে
(বিয়ন্ড ভিজ্যুয়াল রেঞ্জ) এয়ার-টু-এয়ার মিসাইল নিক্ষেপ করে লক্ষ্যভেদ করল সফলভাবে ।
সূত্র: রয়টার্স