প্রিন্ট এর তারিখ: ||প্রকাশের তারিখ: আগস্ট ০১, ২০২৬, ৪:৩৮ এ.এম
স্থানীয় নির্বাচনে একা লড়তে চায় জামায়াত
অ-অ+
অনলাইন ডেস্ক:
জাতীয় নির্বাচনের রেশ কাটতে না কাটতেই দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে বইতে শুরু করেছে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের হাওয়া। আসন্ন এই নির্বাচনে একক শক্তিতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার কৌশল গ্রহণ করছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১১-দলীয় ঐক্যের অংশ হিসেবে অংশ নিলেও, ইউনিয়ন পরিষদ ও সিটি করপোরেশনের মতো তৃণমূলে কেন্দ্রীয়ভাবে আসন বা পদ সমঝোতা অবাস্তব বলে মনে করছে দলটি। জামায়াতের এই একক নির্বাচনী অবস্থান জোটের শরিক দলগুলোর মাঝে নতুন মেরুকরণ ও বিকল্প রাজনৈতিক সমীকরণের জন্ম দিয়েছে।
জোটের লিয়াজোঁ সূত্রে জানা গেছে, জামায়াত এককভাবে মাঠে নামলে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, খেলাফত মজলিস এবং জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) নিজেদের মধ্যে একটি বিকল্প নির্বাচনী বোঝাপড়া গড়ে তোলার চিন্তা করছে। বিশেষ করে সংসদ নির্বাচনে আসন বণ্টন নিয়ে তৈরি হওয়া অসন্তোষ এবং স্থানীয় রাজনীতিতে নিজস্ব অস্তিত্ব বজায় রাখার তাগিদ থেকেই শরিকরা এই পথ খুঁজছে। ইসি সূত্রে আগস্টের শেষ নাগাদ স্থানীয় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আভাস মিলতেই বিভিন্ন দল ও সম্ভাব্য প্রার্থীরা মাঠপর্যায়ে সক্রিয় হতে শুরু করেছেন।
বিশেষ করে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ইতিমধ্যেই এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া এবং জামায়াতের পক্ষ থেকে ডাকসুর সাবেক ভিপি সাদিক কায়েমের নাম সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় উঠে এসেছে। দুই দলেরই তরুণ নেতৃত্বের এই সম্ভাব্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা স্থানীয় নির্বাচনে জোটবদ্ধ অবস্থানের সম্ভাবনাকে আরও ক্ষীণ করে তুলেছে। জামায়াত যেখানে এই নির্বাচনকে নিজেদের সাংগঠনিক শক্তিমত্তা পরীক্ষার ক্ষেত্র হিসেবে দেখছে, সেখানে শরিক দলগুলো ভোট বিভাজন রোধে বিকল্প জোটে চোখ রাখছে। তফসিল চূড়ান্ত হলে এই রাজনৈতিক কৌশলগুলোর চূড়ান্ত রূপ স্পষ্ট হয়ে উঠবে।
We may use cookies or any other tracking technologies when you visit our website, including any other media form, mobile website, or mobile application related or connected to help customize the Site and improve your experience.
learn more