প্রিন্ট এর তারিখ: ||প্রকাশের তারিখ: জুন ০৭, ২০২৬, ৭:০৯ এ.এম
ছুটি শেষে আজ শ্রেণিকক্ষে ফিরছে লাখো শিক্ষার্থী
অ-অ+
অনলাইন ডেস্ক: ঢাকা, ৭ জুন: ঈদুল আজহা ও অন্যান্য
সরকারি ছুটি মিলিয়ে টানা ১৬ দিনের অবকাশ শেষে আজ রোববার থেকে দেশের স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসাগুলোতে
পুনরায় শুরু হচ্ছে নিয়মিত পাঠদান। দীর্ঘ বিরতির পর শিক্ষার্থীদের পদচারণায় আবারও মুখর
হয়ে উঠছে দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো। শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও প্রাথমিক শিক্ষা
অধিদপ্তরের নির্দেশনা অনুযায়ী, ছুটি শেষে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে স্বাভাবিক শিক্ষা
কার্যক্রম পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে
শ্রেণিকক্ষ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা, পাঠ পরিকল্পনা চূড়ান্ত করা এবং শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি
নিশ্চিত করতে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে,
ছুটির কারণে পাঠদানে যে সময়ের বিরতি তৈরি হয়েছে, তা দ্রুত কাটিয়ে উঠতে নতুন পরিকল্পনা
গ্রহণ করা হয়েছে। বিশেষ করে আগামী বছরের এসএসসি, এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার্থীদের
জন্য অতিরিক্ত ক্লাস এবং পুনরাবৃত্তিমূলক পাঠের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। শিক্ষা সংশ্লিষ্টদের মতে, দীর্ঘ ছুটির
পর শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পড়াশোনায় ফিরিয়ে আনতে শিক্ষক ও অভিভাবকদের সম্মিলিত সহযোগিতা
প্রয়োজন। প্রথম কয়েকদিন শিক্ষার্থীদের পাঠে মনোযোগ ফিরিয়ে আনতে কিছুটা সময় লাগতে পারে
বলে ধারণা করা হচ্ছে। রাজধানীর এক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান
শিক্ষক জানান, শিক্ষার্থীদের স্বাভাবিক শিক্ষাজীবনে দ্রুত ফিরিয়ে আনতে পাঠদানের পাশাপাশি
বিভিন্ন সহশিক্ষা কার্যক্রম আয়োজন করা হবে। এতে শিক্ষার্থীদের মানসিক সতেজতা বজায় থাকবে
এবং শিক্ষার প্রতি আগ্রহ বাড়বে। অভিভাবকদের মধ্যেও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান
খোলাকে ঘিরে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। তারা মনে করছেন, দীর্ঘ ছুটির কারণে অনেক
শিক্ষার্থীর দৈনন্দিন রুটিনে পরিবর্তন এসেছিল। নিয়মিত ক্লাস শুরু হওয়ায় তারা আবারও
শৃঙ্খলাবদ্ধ শিক্ষাজীবনে ফিরে আসবে। এদিকে শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষা কার্যক্রমের
ধারাবাহিকতা বজায় রাখা শিক্ষার্থীদের একাডেমিক অগ্রগতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
তাই ছুটির পরবর্তী সময়ে পাঠদানে কোনো ঘাটতি থাকলে তা দ্রুত পূরণে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া
প্রয়োজন। শিক্ষা প্রশাসনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন,
চলতি শিক্ষাবর্ষের নির্ধারিত একাডেমিক ক্যালেন্ডার অনুসারেই শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত
হবে এবং শিক্ষার মানোন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে। অন্যদিকে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে যাওয়ায়
রাজধানীসহ বড় শহরগুলোতে সকালবেলার যানবাহনের চাপ কিছুটা বৃদ্ধি পেতে পারে বলে ধারণা
করছেন সংশ্লিষ্টরা। শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের চলাচল বাড়ায় সড়কে স্বাভাবিকের
তুলনায় বেশি ব্যস্ততা দেখা যেতে পারে।
We may use cookies or any other tracking technologies when you visit our website, including any other media form, mobile website, or mobile application related or connected to help customize the Site and improve your experience.
learn more