বাউফল (পটুয়াখালী) সংবাদদাতা: পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার কালিশুরী বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত
১১টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। মঙ্গলবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে এ ঘটনা
ঘটে। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের দাবি, এতে প্রায় ২ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে রয়েছেন জুয়েলারি ব্যবসায়ী অসীম কর্মকার ও কমল
দাস, স্টুডিও ব্যবসায়ী মো. ফারুক হোসেন, পুতুল ফটোস্ট্যাট, কালু দাস মোবাইল সার্ভিসিং,
বদির ক্রোকারিজ, আনসার সিকদার মুদিমনোহরি, আরাফ কসমেটিকস, হাসানের চাউলের দোকান, টুটুল
কসমেটিকস, নিখিল খলিফা ও উজ্জ্বল ভ্যারাইটিজ স্টোর। এর মধ্যে কমল দাস, অসীম কর্মকার, আরাফ কসমেটিকস, টুটুল কসমেটিকস, উজ্জ্বল
ভ্যারাইটিজ স্টোর ও ফরুক স্টুডিওসহ অন্তত ৭টি দোকান সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়েছে। বাকি
৪টি দোকান আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাত দেড়টার দিকে মো. হাসানের চাউলের দোকান
থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। স্থানীয়রা আগুন দেখতে পেয়ে চিৎকার দিলে তা দ্রুত পাশের দোকানগুলোতে
ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয়দের সহযোগিতায়
প্রায় তিন ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। ক্ষতিগ্রস্ত জুয়েলারি ব্যবসায়ী অসীম কর্মকার বলেন, “গভীর রাতে আগুন
লাগায় কিছুই রক্ষা করতে পারিনি। মুহূর্তেই সব শেষ হয়ে গেছে।” বাউফল ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের ওয়্যারহাউস ইন্সপেক্টর
সাব্বির হোসেন জানান, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ফায়ার সার্ভিস দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে
আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। তবে এরই মধ্যে কয়েকটি দোকান পুড়ে যায়। দ্রুত পদক্ষেপ
নেওয়ায় আগুন পাশের স্থাপনাগুলোতে ছড়িয়ে পড়া থেকে রক্ষা করা সম্ভব হয়েছে। তিনি আরও জানান,
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার সালেহ আহমেদ জানান, ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে
ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে প্রাথমিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে।সরকারের পক্ষ থেকে আরও যে সুযোগ
রয়েছে পরিবারগুলোর জন্য সে ব্যবস্থা করা হবে।
We may use cookies or any other tracking technologies when you visit our website, including any other media form, mobile website, or mobile application related or connected to help customize the Site and improve your experience.
learn more