বাউফলে মামলা চলাকালে দোকানে হামলা ও মালামাল সরানোর অভিযোগ
Date: 2026-09-06
প্রিন্ট এর তারিখ: ||প্রকাশের তারিখ: সেপ্টেম্বর ০৬, ২০২৬, ৯:৩২ এ.এম
বাউফলে মামলা চলাকালে দোকানে হামলা ও মালামাল সরানোর অভিযোগ
অ-অ+
বাউফল (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি:
পটুয়াখালীর বাউফলে আদালতে মামলা বিচারাধীন ও পুলিশি তদন্ত চলমান থাকা অবস্থাতেই কালাইয়া বন্দর বাজারের ‘মমতা সুজ’ নামের একটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের তালা ভেঙে প্রায় ৮ থেকে ১০ লাখ টাকার মালামাল ও গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র সরিয়ে নেওয়ার চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে। আজ রোববার (৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬) সকাল ১১টায় বাউফল হাসপাতাল সড়কে ‘বাউফলের কথা’ কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানান ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী ও সাংবাদিক সাগর দাস। তার অভিযোগ, গত ৫ সেপ্টেম্বর দুপুরে দোকান মালিক মো. নাঈম, সায়েম ও আলমাসসহ কয়েকজন জোরপূর্বক দোকানে প্রবেশ করে জুতা, ক্যাশ টাকা, দুটি দলিল ও ব্যাংকের চেকসহ সব মালামাল নিয়ে যান এবং ঘটনার সময় বাউফল থানার এসআই মফিজুল ইসলাম ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে সাগর দাস জানান, তিনি প্রায় ২৪ বছর ধরে সুনামের সঙ্গে ব্যবসা করছেন এবং দোকান মালিক নাঈমের সঙ্গে তার ২০২৭ সালের এপ্রিল পর্যন্ত মেয়াদ থাকা একটি বৈধ চুক্তি রয়েছে। তবে চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই নাঈম অতিরিক্ত ৫ লাখ টাকা অগ্রিম ও মাসিক ভাড়া বাড়িয়ে ১১ হাজার টাকা দাবি করলে বিরোধের সৃষ্টি হয়। সাগর দাসের ভাষ্য মতে, গত ২৩ আগস্ট কয়েকজন ব্যক্তি দোকানে ঢুকে চাঁদা দাবি ও মারধর করায় তিনি পটুয়াখালীর সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সিআর-৪৫৩/২৬ নম্বরে একটি মামলা করেন (ধারা: ১৪৩, ৪৪৮, ৩২৩, ৩৮৫ ও ৫০৬)। সেই মামলাটি বিচারাধীন থাকা অবস্থায় উচ্ছেদের উদ্দেশ্যে এই বেআইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
তবে ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকার অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা দাবি করে এসআই মফিজুল ইসলাম জানান, প্রয়োজন হলে ভিডিও ফুটেজ যাচাই করা যেতে পারে। পূর্বে এই বিরোধ নিষ্পত্তিতে সালিস হলেও কোনো সমঝোতা হয়নি উল্লেখ করে তিনি বলেন, মালামাল সরানোর বিষয়ে তিনি অবগত নন এবং ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হবে। বাউফল থানার ওসি সিরাজুল ইসলামও জানান, দোকান মালিকের করা একটি জিডি বর্তমানে তদন্তাধীন হলেও গত ৫ সেপ্টেম্বরের ঘটনাটি সম্পর্কে থানা অবগত নয়। এদিকে অভিযুক্ত দোকান মালিক নাঈম হোসেন ফোনে কোনো মন্তব্য না করে পরে পাল্টা সংবাদ সম্মেলন করার কথা জানিয়ে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন। আদালতে মামলা চলমান থাকা সত্ত্বেও এমন ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে এবং ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত, মালামাল উদ্ধার ও দোষীদের শাস্তির জোর দাবি জানিয়েছেন।
We may use cookies or any other tracking technologies when you visit our website, including any other media form, mobile website, or mobile application related or connected to help customize the Site and improve your experience.
learn more