বাউফলে আশ্রয়ণ প্রকল্পের মাঠ দখল ও তৃতীয় লিঙ্গের ওপর আগ্রাসনের প্রতিবাদে মানববন্ধন
Date: 2026-09-02
প্রিন্ট এর তারিখ: ||প্রকাশের তারিখ: সেপ্টেম্বর ০২, ২০২৬, ৪:৪৪ পি.এম
বাউফলে আশ্রয়ণ প্রকল্পের মাঠ দখল ও তৃতীয় লিঙ্গের ওপর আগ্রাসনের প্রতিবাদে মানববন্ধন
অ-অ+
বাউফল (পটুয়াখালী)প্রতিনিধি :
পটুয়াখালীর বাউফলে কালিশুরী ইউনিয়নের ফায়ার সার্ভিস স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় সরকারি খাস জায়গায় আশ্রয়ন প্রকল্পের বাসিন্দাদের জন্য বরাদ্দকৃত খেলার মাঠ জবরদখলের প্রতিবাদে এক মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালিত হয়েছে।
আজ বুধবার (০২ সেপ্টেম্বর)২৬ইং সকাল ১১টায় কালিশুরী বাজারের বিভিন্ন গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, আশ্রয়ন প্রকল্পের স্থায়ী বাসিন্দারা এবং স্থানীয় তৃতীয় লিঙ্গের জনগোষ্ঠীর নারীগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনে বক্তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আশ্রয়ন প্রকল্পের বাসিন্দাদের বিনোদন ও শিশুদের খেলাধুলার জন্য সরকারি খাস জমিতে একটি নির্ধারিত খেলার মাঠ রয়েছে। কিন্তু স্থানীয় সিরাজুল ইসলামের ছেলে মিঠু প্রভাব খাটিয়ে সেই মাঠটি অবৈধভাবে জবরদখল করে রেখেছেন। আশ্রয়ন প্রকল্পের অসহায় বাসিন্দারা একাধিকবার তাকে মাঠ ছেড়ে দেওয়ার অনুরোধ জানালেও তিনি কর্ণপাত করেননি। নিরুপায় হয়ে এলাকাবাসী ও ভুক্তভোগীরা কালিশুরী ইউনিয়ন ছাত্রদল নেতা সোহান মোল্লার শরণাপন্ন হন। পরে স্থানীয়দের দাবির প্রেক্ষিতে সোহান মোল্লা এগিয়ে এসে মাঠটি জবরদখলমুক্ত করার জন্য ঝোপঝাড় পরিষ্কার এবং কলাগাছ কেটে তা খেলার উপযোগী করে তোলেন।
এদিকে মাঠ জবরদখলমুক্ত করার পর একটি কুচক্রী মহল নতুন ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত মিঠু বাদী হয়ে বাউফল সহকারী কমিশনার (ভূমি) বরাবর একটি মিথ্যা ও বানোয়াট অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগে দাবি করা হয়েছে যে, ছাত্রদল নেতা সোহান মোল্লা তার ব্যক্তিগত জমি জোরপূর্বক জবরদখলের চেষ্টা করছেন—যা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন এলাকাবাসী।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত পক্ষের দাবি মিথ্যা বলে উল্লেখ করে ছাত্রদল নেতা সোহান মোল্লা বলেন, "যে জমিটার কথা বলা হচ্ছে, তা কোনো ব্যক্তির ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয়; এটি সরকারি খাস জমি এবং আশ্রয়ন প্রকল্পের বাসিন্দাদের জন্য বরাদ্দকৃত খেলার মাঠ। আমি শুধু সাধারণ মানুষের অধিকার রক্ষায় মাঠ পরিষ্কার করে দিয়েছি।"
প্রতিবাদ সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন তৃতীয় লিঙ্গের জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধি জুই, আনিস, ফরিদ, জলিল প্রমুখ। বক্তারা অবিলম্বে মিথ্যা অভিযোগ প্রত্যাহার এবং জবরদখলকারী মিঠুর বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত সিরাজুল ইসলামের ছেলে মিঠুর সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
We may use cookies or any other tracking technologies when you visit our website, including any other media form, mobile website, or mobile application related or connected to help customize the Site and improve your experience.
learn more