প্রিন্ট এর তারিখ: ||প্রকাশের তারিখ: আগস্ট ১৭, ২০২৬, ৪:১০ এ.এম
জাতীয় সমাদরে শেরপুর পৌরসভার ছাদবাগান
অ-অ+
অনলাইন ডেস্ক:
শেরপুর পৌরসভা ভবনটির চারতলার ছাদে প্রায় ৪ হাজার ৮৮০ বর্গফুট প্রাঙ্গণ জুড়ে লাল-সবুজের যে অনন্য উদ্যান গড়ে তোলা হয়েছে, তা কেবল ইট-কাঠের নগরে প্রশান্তির পরশই বুলাচ্ছে না, বরং সীমিত স্থানে পরিবেশবান্ধব সবুজ বলয় তৈরির ক্ষেত্রেও উদাহরণ গড়েছে। এই দৃষ্টিনন্দন ছাদবাগানটিতে সুপরিকল্পিতভাবে সাজানো রয়েছে বিভিন্ন প্রজাতির উদ্ভিদ, যেখানে ১০ প্রজাতির বনজ, ২০ প্রজাতির ফলদ, ১৮ প্রজাতির ভেষজ ও প্রায় ২০০ প্রজাতির বর্ণিল ফুলসহ ৯ প্রজাতির দেশীয় বিলুপ্তপ্রায় এবং ৭ প্রজাতির বিরল উদ্ভিদ স্থান পেয়েছে। এছাড়া ঝুলন্ত টবে ১০ প্রজাতির অর্কিড, ১৮ প্রজাতির শাক-সবজি এবং কৃত্রিম জলাধারে ফুটে থাকা শাপলা-পদ্ম বাগানটির সৌন্দর্য বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। প্রতিটি গাছের পাশে বৈজ্ঞানিক নাম ও পরিচয়ের ফলক টানিয়ে পুরো ছাদটিকে যেন একটি শিক্ষণীয় ক্ষুদ্র উদ্ভিদ উদ্যানে রূপ দেওয়া হয়েছে।
মূলত ২০২০ সালে সামান্য পরিসরে এই বাগানের যাত্রা শুরু হলেও ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে জেলা স্থানীয় সরকারের উপপরিচালক আরিফা সিদ্দিকা পৌরসভার প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর এর রূপরেখা বদলে যায়। তাঁর উদ্যোগে ও সহকারী কর আদায়কারী মো. সারোয়ার জাহানের তত্ত্বাবধানে পুরো ছাদটি ফুল, ফল, সবজি ও ঔষধি বৈচিত্র্যে নতুন রূপ পায়। আলো-বাতাস চলাচলের সঠিক হিসাব ও নিবিড় পরিচর্যার ফলে সম্প্রতি রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত পরিবেশ ও বৃক্ষমেলা ২০২৬-এর অনুষ্ঠানে প্রাতিষ্ঠানিক ক্যাটাগরিতে ছাদবাগান বিভাগে জাতীয় পর্যায়ে তৃতীয় স্থান অর্জন করে পৌরসভাটি। স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা ও বিশিষ্টজনদের মতে, সদিচ্ছা ও নান্দনিক রুচির এই অনন্য স্বীকৃতি জেলা জুড়ে ছাদবাগান তৈরি এবং নগর সবুজায়নে নতুন উদ্দীপনা জোগাবে।
We may use cookies or any other tracking technologies when you visit our website, including any other media form, mobile website, or mobile application related or connected to help customize the Site and improve your experience.
learn more