পটুয়াখালীতে ইলিশ সংরক্ষণে প্রশাসনের কঠোর সতর্কতা

Date: 2025-10-05
news-banner
বাউফল (পটুয়াখালী) সংবাদদাতা:

পটুয়াখালী বাউফলে মা ইলিশ সংরক্ষণের লক্ষ্যে তেঁতুলিয়া নদীতে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে, কঠোর সতর্কতা জারি করা হয়ছে। শনিবার (৪ অক্টোবর) সকাল থেকে শুরু করে রাতভর এ সতর্কতা প্রচার করা হয়। vyyJZCc.jpeg
ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌষুমে তেঁতুলিয়া নদীর তীরবর্তী গ্রামগুলোতে মা ইলিশ সংরক্ষণে সরকারের নির্দেশনা বাস্তবায়ন ও সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে এ সতর্কতা করা হয়। এছাড়া দিনরাত তেঁতুলিয়া নদীর গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট কালাইয়া কেশবপুর নাজিরপুর ধুলিয়া ও কাছিপাড়া এলাকার মোহনাগুলতো অভিযান পরিচালনা করে উপজেলা প্রশাসনের একাধিক দল। ওই সময় নদীতে বরশী দিয়ে মাছ ধরা জেলেদের সর্তক করে দেওয়া হয় এবং তথ্য দিয়ে উপজেলা প্রশাসনকে সহায়তা করতে বলা হয়। Phuuy09.jpeg
অভিযানের সময় ইউএনও মো. আমিনুল ইসলাম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে লাইভে আসেন, যাতে স্থানীয় জনগণ সরাসরি প্রশাসনের কার্যক্রম দেখতে পারে এবং সচেতনতা তৈরী হয়। তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক লাইভে আসার ফলে খবরটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। লাইভ প্রচার করেন বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার কর্মীরা। এছাড়াও অভিযানের সময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নদীর তীরে  মাইকিং করে জেলেদের সতর্ক করেন। তিনি সবাইকে আহ্বান জানান, মা ইলিশ ধরার জন্য কেউ যেন নদীতে না নামে এবং সরকার ঘোষিত নিষেধাজ্ঞা কঠোরভাবে মেনে চলে। ওই সময় নদীতীরবর্তী জেলেরা নদীতে মাছ ধরবেননা বলে প্রতিশ্রুতি দেন।
ইউএনও আমিনুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, “আমাদের লক্ষ্য শুধু অভিযান নয়, মানুষকে সচেতন করা। মা ইলিশ রক্ষা মানে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সুরক্ষিত রাখা। সবাই যদি নিষেধাজ্ঞা মেনে চলে, তাহলে নদী ও মাছ দুটোই বাঁচবে।”KbINuzS.jpeg
স্থানীয়দের মতে, ফেসবুক লাইভ ও মাইকিং—এই দুই মাধ্যমে প্রশাসনের এমন উদ্যোগে সাধারণ মানুষের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া পড়েছে। অনেকেই এখন ইলিশ ধরার পরিবর্তে নিষিদ্ধ সময়ে বিকল্প পেশায় যুক্ত হচ্ছেন।siqeHgB.jpeg
উপজেলা উপজেলা প্রশাসনের প্রচার এবং অভিযানে অংশগ্রহণ নেন, ইউএনও আমিনুল ইসলাম, সহকারী কমিশনার ভূমি সোহাগ মিলু, মৎস্য কর্মকর্তা এম এম পারভেজ, বাউফল থানার অফিসার ইনচার্জ আকতারুজ্জামান সরকার সহ প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের একাধিক পৃথক পৃথক দল। 

Leave Your Comments