সাবেক রাষ্ট্রপতি এইচ এম এরশাদের ৭ম মৃত্যুবার্ষিকী আজ
Date: 2026-07-14
প্রিন্ট এর তারিখ: ||প্রকাশের তারিখ: জুলাই ১৪, ২০২৬, ৫:১০ এ.এম
সাবেক রাষ্ট্রপতি এইচ এম এরশাদের ৭ম মৃত্যুবার্ষিকী আজ
অ-অ+
অনলাইন ডেস্ক:
সাবেক রাষ্ট্রপতি এবং জাতীয় পার্টির (জাপা) প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ (এইচ এম) এরশাদের সপ্তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ (মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই)। ২০১৯ সালের এই দিনে ৮৯ বছর বয়সে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন সাবেক এই সেনাপ্রধান। প্রয়াত এই নেতার মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে তাঁর স্মৃতিবিজড়িত রংপুরসহ দেশজুড়ে দিনব্যাপী নানা কর্মসূচি হাতে নিয়েছে জাতীয় পার্টি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনগুলো। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে কোরআন তেলাওয়াত, কবর জিয়ারত, আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল।
জাতীয় পার্টির দুর্গ হিসেবে পরিচিত রংপুরে দলটির পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে বিশেষ প্রস্তুতি। দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও রংপুর মহানগর কমিটির সাধারণ সম্পাদক এস এম ইয়াসির জানান, মঙ্গলবার সকাল ৬টায় রংপুর নগরীর সেন্ট্রাল রোডের দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন এবং দলীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখার মধ্য দিয়ে দিনের কর্মসূচি শুরু হয়। এ ছাড়া রংপুর নগরীর গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে দিনভর মাইকে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত এবং সাবেক এই রাষ্ট্রপতির বিভিন্ন সময়ের উল্লেখযোগ্য ভাষণ প্রচার করা হচ্ছে।
আজকের মূল আয়োজনটি অনুষ্ঠিত হচ্ছে রংপুর নগরীর 'পল্লী নিবাসে' এরশাদের সমাধিস্থলে। বেলা ১১টায় সেখানে শুরু হয়েছে বিশেষ কোরআন তেলাওয়াত, কবর জিয়ারত ও দোয়া মাহফিল। এরপর একটি স্মরণসভার আয়োজন করা হয়েছে, যেখানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ (জি এম) কাদের। স্মরণসভা ও দোয়ায় অংশ নিতে রংপুর পৌঁছেছেন দলের মহাসচিব ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী, কো-চেয়ারম্যান ও রংপুর মহানগর সভাপতি মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফাসহ দলের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় শীর্ষ নেতারা। শুধু জেলা শহর নয়, রংপুরের প্রতিটি উপজেলা ও ইউনিয়নেও পৃথকভাবে দোয়া ও ভাষণ প্রচারের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ১৯৩০ সালের ১ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন অবিভক্ত ভারতের কোচবিহার জেলার দিনহাটায় জন্মগ্রহণ করেন। পরবর্তীতে তাঁর পরিবার রংপুরে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করে। ১৯৮২ থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রক্ষমতায় ছিলেন তিনি। পরবর্তীতে ১৯৮৬ সালে তিনি ‘জাতীয় পার্টি’ প্রতিষ্ঠা করেন। রাষ্ট্রক্ষমতা হারানোর পরও রংপুরে এরশাদের ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তা ও রাজনৈতিক প্রভাব ছিল প্রশ্নাতীত। তাঁর মৃত্যুর পর ভক্ত ও সমর্থকদের জোরালো দাবির মুখেই রংপুরের পল্লী নিবাসে তাঁকে সমাহিত করা হয়।
We may use cookies or any other tracking technologies when you visit our website, including any other media form, mobile website, or mobile application related or connected to help customize the Site and improve your experience.
learn more