শেরপুরে স্কুলছাত্রী অপহরণের অভিযোগে ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা
Date: 2026-10-04
প্রিন্ট এর তারিখ: ||প্রকাশের তারিখ: অক্টোবর ০৪, ২০২৬, ৭:২০ এ.এম
শেরপুরে স্কুলছাত্রী অপহরণের অভিযোগে ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা
অ-অ+
শেরপুর বগুড়া প্রতিনিধি:
বগুড়ার শেরপুরে বিদ্যালয়ে যাওয়ার পথে দশম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে (১৬) দিনেদুপুরে মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। গত ২৯ সেপ্টেম্বর এ ঘটনা ঘটে। চার দিন পেরিয়ে গেলেও নিখোঁজ ওই শিক্ষার্থীর সন্ধান মেলেনি। এ ঘটনায় ৩ অক্টোবর রাতে ছাত্রীর মা বাদী হয়ে প্রধান অভিযুক্ত মো. রিয়াদ হোসেনসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে শেরপুর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেছেন। নিখোঁজ শিক্ষার্থীকে উদ্ধারে অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ।
মামলার এজাহার ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, নিখোঁজ ওই কিশোরী শেরপুর মজিবর রহমান মজনু বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী। অভিযোগ অনুযায়ী, উপজেলার চকপোতা গ্রামের সাইফুল ইসলামের ছেলে মো. রিয়াদ হোসেন (২০) দীর্ঘদিন ধরে তাকে প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে উত্ত্যক্ত করে আসছিলেন। বিষয়টি ছাত্রীর অভিভাবকেরা রিয়াদের পরিবারকে জানালে তারা ক্ষুব্ধ হয়ে ওই ছাত্রীকে তুলে নিয়ে যাওয়ার হুমকি দেয় বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ২৯ সেপ্টেম্বর সকাল ৮টার দিকে প্রতিদিনের মতো বাড়ি থেকে বিদ্যালয়ের উদ্দেশে বের হয় ওই ছাত্রী। পথে চকপোতা গ্রামের জামাদারের দোকানের সামনে পৌঁছালে আগে থেকে অবস্থান করা রিয়াদ ও তাঁর সহযোগীরা তাকে জোরপূর্বক একটি সাদা রঙের মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে যান বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
নির্ধারিত সময়ে বাড়ি কিংবা বিদ্যালয়ে না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেন। তবে কোথাও তার সন্ধান না পেয়ে গত ৩ অক্টোবর রাতে ছাত্রীর মা বাদী হয়ে শেরপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দেন। পরে ওই অভিযোগের ভিত্তিতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলাটি নথিভুক্ত করা হয়।
মামলার আসামিরা হলেন চকপোতা গ্রামের মো. রিয়াদ হোসেন (২০), তাঁর মা মোছা. ফরিদা বেগম (৪০), একই এলাকার মো. হাফিজার রহমান (৫৫), রিয়াদের ভাই মো. জিহাদ হোসেন (২৫) এবং মোছা. কহিনুর বেগম ওরফে জেসমিন (৪০)।
শেরপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ও ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হিসেবে দায়িত্বে থাকা জয়নুল আবেদীন জানান, বাদীর লিখিত এজাহারের ভিত্তিতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা নথিভুক্ত করা হয়েছে। নিখোঁজ স্কুলছাত্রীকে দ্রুত অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার এবং আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
We may use cookies or any other tracking technologies when you visit our website, including any other media form, mobile website, or mobile application related or connected to help customize the Site and improve your experience.
learn more