প্রিন্ট এর তারিখ: ||প্রকাশের তারিখ: অক্টোবর ২৩, ২০২৬, ৫:৫৫ এ.এম
সৌদি আরবে হুতি হামলা
অ-অ+
অনলাইন ডেস্ক:
ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার প্রেক্ষাপটে পুরো মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতি চরম উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। এর জেরে সম্প্রতি ইয়েমেনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হুতি বিদ্রোহীরা সৌদি আরবের কিং খালেদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে। এই আকস্মিক হামলায় ঘটনাস্থলেই ১২ জন নিহত এবং তিন শতাধিক মানুষ আহত হন। দীর্ঘদিন ধরে সৌদি আরব নিজেদের ভূখণ্ডকে আঞ্চলিক সংঘাত থেকে সুরক্ষিত রাখতে সক্ষম হলেও, হুতিদের এই শক্তিশালী আক্রমণ দেশটির নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে বড় ধরনের ধাক্কার মুখে ফেলেছে।
ইয়েমেনের সংখ্যালঘু জায়দি সম্প্রদায়ের আন্দোলন থেকে গড়ে ওঠা ‘আনসার আল্লাহ’ বা হুতি গোষ্ঠী সময়ের পরিক্রমায় এক অপ্রতিরোধ্য সামরিক শক্তিতে রূপ নিয়েছে। নব্বইয়ের দশকে প্রান্তিক বৈষম্যের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের অংশ হিসেবে শুরু হলেও ২০১৪ সালে তারা রাজধানী সানা দখল করে নেয়। পরবর্তীতে ২০১৫ সালে সৌদি জোটের সামরিক হস্তক্ষেপ এবং দীর্ঘ গৃহযুদ্ধের মধ্য দিয়ে হুতিরা পাহাড়ি অঞ্চলে যুদ্ধের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা অর্জন করে। বর্তমানে তাদের কাছে উন্নত প্রযুক্তির ক্ষেপণাস্ত্র এবং ইরানের 'শাহেদ' ড্রোনের স্থানীয় সংস্করণের মতো ভয়ংকর অস্ত্রভাণ্ডার রয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, হুতিরা তেহরান-নিয়ন্ত্রিত ‘প্রতিরোধ অক্ষ’ বা এক্সিস অব রেজিস্ট্যান্সের একটি অত্যন্ত শক্তিশালী অংশ। যদিও ইরান অস্ত্র সরবরাহের অভিযোগ বরাবরই অস্বীকার করে আসছে, তবুও মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতিতে হুতিদের এই ক্রমবর্ধমান সামরিক সক্ষমতা সৌদি আরবসহ সমগ্র উপসাগরীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য এক মারাত্মক হুমকি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।
We may use cookies or any other tracking technologies when you visit our website, including any other media form, mobile website, or mobile application related or connected to help customize the Site and improve your experience.
learn more