প্রিন্ট এর তারিখ: ||প্রকাশের তারিখ: জুন ১১, ২০২৬, ৬:৩০ এ.এম
আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিল : শক্তিতে কে কোথায় সেরা
অ-অ+
অনলাইন ডেস্ক: বিশ্বকাপের উত্তেজনা চরমে, আর এই মুহূর্তে
ফুটবল বিশ্বের চোখ দুই দক্ষিণ আমেরিকান শক্তিশালী দলের দিকে: আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিল। যে
দল গোলপোস্টের কাছে নীরব থাকে না, সেই দলকে জিততে হবে—এই বিবেচনায় দুই
দলই সমান প্রতিদ্বন্দ্বী। তবে গোলরক্ষক থেকে আক্রমণ পর্যন্ত কার শক্তি কোথায় বেশি, তা নিয়ে এখনো
আলোচনা চলছে। গোলরক্ষক: আর্জেন্টিনার এমিলিয়ানো মার্তিনেজ ও ব্রাজিলের আলিসন
বেকার—দুইজনই সময়ের সেরা। মার্তিনেজের মানসিক দৃঢ়তা এবং পেনাল্টি ঠেকানোর ক্ষমতা তাকে বড় ম্যাচে অপরিহার্য করে তোলে। অন্যদিকে আলিসন ফুটবল কৌশলে পারদর্শী, ক্রস নিয়ন্ত্রণে দক্ষ এবং ওয়ান অন ওয়ানে অসাধারণ।
তবে টাইব্রেকারে পেনাল্টি ঠেকানোর ক্ষেত্রে আলিসনের অভিজ্ঞতা মার্তিনেজের তুলনায় কম। বড় ম্যাচের চাপ সামলানোর ক্ষমতায় মার্তিনেজ কিছুটা এগিয়ে। রক্ষণ: ব্রাজিলের রক্ষণভাগে আছে মারকিনিওস, ব্রেমার ও গ্যাব্রিয়েল মাগালায়েসের
মতো তারকা। বিশেষ করে গ্যাব্রিয়েল তরুণ কিন্তু শক্তিশালী, যা ব্রাজিলকে আর্জেন্টিনার
তুলনায় কিছুটা এগিয়ে রাখে। তবে ফুলব্যাকের দুর্বলতা ও ছিটকে যাওয়া
খেলোয়াড়দের কারণে কিছু ঝুঁকি রয়ে গেছে। আর্জেন্টিনার রক্ষণ মূলত অভিজ্ঞতার ওপর দাঁড়িয়ে। ওতামেন্দি ও রোমেরো—দুজনেই
বড় মঞ্চের অভিজ্ঞ। ব্যক্তিগত সামর্থ্যে তারা ব্রাজিলের মতো গুণী না হলেও দল
হিসেবে তারা শক্তিশালী। তবে বিকল্প খেলোয়াড় কম থাকায়, পারফরম্যান্সে
নির্ভরতা বেশি। মধ্যমাঠ: মধ্যমাঠে আর্জেন্টিনার তিন-সদস্যের কম্বিনেশন—এনজো ফার্নান্দেজ, ম্যাক আলিস্টার ও রদ্রিগো দি
পল—তাদের মাঠে নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা দারুণ। ব্রাজিলের মিডফিল্ড শক্তিশালী শারীরিকভাবে, তবে ধারাবাহিকতা ও দলের সঙ্গে
সংযোগে কিছু ঘাটতি আছে। কাসেমিরো অভিজ্ঞ, কিন্তু বয়সের ছাপ দেখা যাচ্ছে। তাই মাঠের নিয়ন্ত্রণে আর্জেন্টিনা কিছুটা এগিয়ে। আক্রমণভাগ: ব্রাজিলের আক্রমণভাগ বিস্ফোরক। ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, নেইমার, রাফিনিয়া ও মার্টিনেল্লির উপস্থিতি
দলকে বিভিন্ন দিক থেকে হুমকির মধ্যে রাখে। আর্জেন্টিনার আক্রমণভাগ মারাত্মক পরিকল্পিত ও সংগঠিত। তবে
মেসির ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা এবং বিকল্প খেলোয়াড়ের সীমিততা তাদের কিছুটা পিছিয়ে রাখে। ফলে আক্রমণে সামান্য সুবিধা ব্রাজিলের। মোটের ওপর বলা যায়, আর্জেন্টিনা এবং ব্রাজিল—উভয়ই শক্তিশালী। তবে নির্দিষ্ট অবস্থান অনুযায়ী সামান্য পার্থক্য দেখা যাচ্ছে। বড় ম্যাচের চাপ, দলগত সমন্বয় এবং চূড়ান্ত পারফরম্যান্সই শেষ পর্যন্ত নির্ধারণ করবে কে বিশ্বকাপের সিংহাসন
দখল করবে।
We may use cookies or any other tracking technologies when you visit our website, including any other media form, mobile website, or mobile application related or connected to help customize the Site and improve your experience.
learn more