বাউফলে সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগে সাইবার ট্রাইবুনালে মামলা
অক্টোবর ১৫, ২০২৬, ৭:৪৩ এ.এম
প্রিন্ট এর তারিখ: ||প্রকাশের তারিখ: অক্টোবর ১৫, ২০২৬, ৭:৪৩ এ.এম
বাউফলে সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগে সাইবার ট্রাইবুনালে মামলা
অ-অ+
বাউফল (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর বাউফলে পেশাগত দায়িত্ব পালনের জেরে স্থানীয় এক সাংবাদিকের বিরুদ্ধে
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মানহানিকর অপপ্রচার ও ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবির মিথ্যা অভিযোগ
এনে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে অপপ্রচার চালানোর হয়েছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী সাংবাদিক মো: মাসুম বিল্লাহ বাদী হয়ে বরিশাল সাইবার ট্রাইব্যুনালে
একটি মামলা দায়ের করেছেন। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে বর্তমানে পটুয়াখালী জেলা সিআইডি
(ঈওউ) কে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। মামলা সূত্রে জানা যায়, বাদী মো: মাসুম বিল্লাহ জাতীয় দৈনিক গণকণ্ঠ পত্রিকার
বাউফল উপজেলা প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত আছেন এবং স্থানীয়ভাবে 'ইধঁঢ়যধষ ঘবংি ২৪' পেজের
মাধ্যমে বিভিন্ন সংবাদ ও ভিডিও প্রচার করে থাকেন। সম্প্রতি বাউফলের শৌলা এলাকায় জোরপূর্বক
শিবির নেতার বিরুদ্ধে গাছ কাটার অভিযোগ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ হয়। তারই জের ধরে স্থানীয়
প্রতিপক্ষের সঙ্গে তার বিরোধ সৃষ্টি হয়। এই শিরোনামের সংবাদটি খবর বাউফল ও বাউফল টুডের ফেইসবুকেও প্রচার করা হয়। অভিযোগে
বলা হয়েছে, গত ১৭ আগস্ট ২০২৬ ইং তারিখ রাত ১০টা ৪৯ মিনিটের দিকে ২নং আসামি মো আমিনুল
ইসলাম তার মোবাইল নম্বর থেকে সাংবাদিক মাসুম বিল্লাহ'র নম্বরে ফোন করে অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ
ভাষা ব্যবহার করেন এবং প্রাণনাশের হুমকি দেন। এরপর ৩নং আসামি মো: ইমরান খানের ফেসবুক আইডি ও বিভিন্ন পেজ থেকে সাংবাদিক মাসুম
বিল্লাহ'র বিরুদ্ধে ১ ও ২ নং আসামি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে বিভিন্ন অশালীন
মন্তব্য ও হুমকি সহ “পাঁচ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবির মিথ্যা অভিযোগ করেন ১ নং আসামি তরিকুল
ইসলাম ফাহিম” এই ভিডিওটি চাদাঁবাজির শিরোনাম দিয়ে তিনি তার বক্তব্য প্রচার করেন। যাহা
মিথ্যা বানোয়াট সাজানো মানহানিকর ভিডিও বক্তব্য দিয়ে ভিডিও তৈরি করে সামাজিক যোগাযোগ
মাধ্যমে ফেসবুকে ছড়িয়ে দেওয়া হয়। এই ঘটনায় বাদীর পেশাগত সুনাম ও সামাজিক মর্যাদা ক্ষুণ্ন হওয়ায় তিনি প্রথমে বাউফল
থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি নং-৯৭০, তাং- ১৯/০৮/২০২৬) করেন। পরবর্তীতে আইনি প্রক্রিয়া
ও ডিজিটাল আলামত সুরক্ষার মাধ্যমে গত ৪ অক্টোবর ২০২৬ ইং তারিখে বরিশাল সাইবার ট্রাইব্যুনালে
এই মামলা (সাইবার পিটিশন মামলা নং- ২৬২/২০২৬) দায়ের করা হয়। মামলায় চারজনকে সরাসরি অভিযুক্ত করা হয়েছে। তারা হলেন— মো. তরিকুল ইসলাম ফাহিম
(২৬), মো. আমিনুল ইসলাম (৩২), মো. ইমরান খান (৩৫) এবং প্রধান প্ররোচণাকারী ও ষড়যন্ত্রকারী
হিসেবে মো. আবুল কালাম হাওলাদার (কালু) (৬৫)। এছাড়াও অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজনকে আসামি
করা হয়েছে। বাদীপক্ষের আইনজীবী জানান, ডিজিটাল আলামত সংরক্ষণ, ফেসবুক আইডির প্রকৃত ব্যবহারকারী
শনাক্তকরণ (ওচ ষড়ম, ষড়মরহ যরংঃড়ৎু ও সবঃধফধঃধ বিশ্লেষণ) এবং অপরাধের সুনির্দিষ্ট প্রমাণ
পাওয়ার জন্য মামলাটি বর্তমানে সিআইডির নিবিড় তদন্তাধীন রয়েছে। সাংবাদিক সমাজের পক্ষ
থেকে এই ঘটনায় জড়িত প্রকৃত অপরাধীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির
দাবি জানানো হয়েছে।
We may use cookies or any other tracking technologies when you visit our website, including any other media form, mobile website, or mobile application related or connected to help customize the Site and improve your experience.
learn more