বাউফলের সাবেক মেয়র জিয়াউল হক জুয়েল ৩ দিনের রিমান্ডে
অক্টোবর ১৮, ২০২৬, ৯:১৩ এ.এম
প্রিন্ট এর তারিখ: ||প্রকাশের তারিখ: অক্টোবর ১৮, ২০২৬, ৯:১৩ এ.এম
বাউফলের সাবেক মেয়র জিয়াউল হক জুয়েল ৩ দিনের রিমান্ডে
অ-অ+
নিজস্ব প্রতিবেদক:
পটুয়াখালীর বাউফল পৌরসভার সাবেক মেয়র ও জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জিয়াউল হক জুয়েলকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দায়ের করা একটি মামলায় ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। তার রিমান্ড ও হাতকড়া পরিহিত ছবি প্রকাশের পর স্থানীয় রাজনীতি ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা ও মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।
শনিবার ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) গুলশান থানার এক মামলায় রিমান্ড শুনানির পর ঢাকার সিএমএম আদালত তার ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন জানালে আদালত শুনানি শেষে এই আদেশ দেন।
মামলার এজাহার সূত্রের বরাতে জানা যায়, গত সেপ্টেম্বর মাসে রাজধানীর গুলশান এলাকায় নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের পক্ষে মিছিল ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় দায়ের করা সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় তাকেসহ বেশ কয়েকজনকে আসামি করা হয়। পরবর্তীতে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) তাকে রাজধানীর গুলশান এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে।
বাউফলে আবেগ ও রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া- মেয়র জুয়েলের রিমান্ডের খবর বাউফলে পৌঁছালে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে গভীর বেদনার জন্ম দেয়। বাউফল পৌরসভার নাগরিক সুবিধা বৃদ্ধি, আধুনিক নগর পরিকল্পনা ও বিগত বছরগুলোর উন্নয়ন কাজের কথা স্মরণ করে স্থানীয় অনেকে আফসোস প্রকাশ করেছেন।
স্থানীয় অধিবাসীদের দাবি, মেয়র হিসেবে জিয়াউল হক জুয়েল এলাকার ধর্ম-বর্ণ ও রাজনৈতিক মতাদর্শ নির্বিশেষে মানুষের বিপদে-আপদে পাশে দাঁড়িয়েছেন। তার গ্রেপ্তারে কেবল নিজ রাজনৈতিক দলই নয়, অন্যান্য রাজনৈতিক দলের স্থানীয় নেতাকর্মী এবং সর্বস্তরের সাধারণ মানুষের মধ্যেও আক্ষেপ লক্ষ্য করা গেছে। অনেক সাধারণ নাগরিক এটিকে একটি মানবিক ও বেদনাদায়ক অধ্যায় হিসেবে দেখছেন।
আইনি গতি ও বস্তুনিষ্ঠ মূল্যায়ন-
তবে সচেতন মহল ও বিশ্লেষকদের মতে, আইনের নিরপেক্ষ প্রয়োগ ও বিচারিক ব্যবস্থার নিজস্ব গতি রয়েছে। কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলেই আইন অনুযায়ী তার তদন্ত ও বিচারিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়া স্বাভাবিক। আদালতই নির্ধারণ করবেন অভিযোগের সত্যতা।
ইতিহাসের পাতায় স্থান পায় মানুষের ভালো কাজ, স্মৃতি ও অবদান; তবে একই সঙ্গে আইন ও ন্যায়বিচারের কাঠগড়ায় প্রতিটি মানুষের সমান জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার মূল ভিত্তি। বাউফলের মানুষ যেমন অতীত উন্নয়নকে মনে রাখবে, তেমনই আদালতের মাধ্যমে সঠিক তথ্য ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হবে বলে প্রত্যাশা করছেন বাউফল উপজেলার মানুষ।
We may use cookies or any other tracking technologies when you visit our website, including any other media form, mobile website, or mobile application related or connected to help customize the Site and improve your experience.
learn more