জুলাই অভ্যুত্থান-পরবর্তী রাষ্ট্রীয় পুনর্গঠন ও রাজনৈতিক টানাপোড়েন
Date: 2026-08-08
প্রিন্ট এর তারিখ: ||প্রকাশের তারিখ: আগস্ট ০৮, ২০২৬, ২:৩৬ এ.এম
জুলাই অভ্যুত্থান-পরবর্তী রাষ্ট্রীয় পুনর্গঠন ও রাজনৈতিক টানাপোড়েন
অ-অ+
অনলাইন ডেস্ক:
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর দুই বছর সময় পার হলেও রাষ্ট্রকাঠামোর কাঙ্ক্ষিত মৌলিক সংস্কার কার্যকর রূপ পায়নি। ২০২৪ সালের আগস্টে দায়িত্ব নেওয়া অন্তর্বর্তী সরকার জনগণের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক সংস্কারের দাবিকে প্রাধান্য দিয়ে বিচার বিভাগ, সংবিধান, নির্বাচনব্যবস্থাসহ বিভিন্ন খাতে একাধিক কমিশন গঠন করে। পরবর্তীতে প্রায় ৩০টির বেশি রাজনৈতিক দলের মতামতের ভিত্তিতে তৈরি হয় ৮৪টি সংস্কার প্রস্তাবসংবলিত ‘জুলাই জাতীয় সনদ’, যার অর্ধেকেরও বেশি প্রস্তাব ছিল সরাসরি সংবিধান সংশোধনের সাথে সম্পর্কিত। এসব প্রস্তাবের ওপর আয়োজিত জাতীয় গণভোটে জনগণের সমর্থন মিললেও, পরবর্তীতে ক্ষমতা গ্রহণের পর তৎকালীন রূপরেখা থেকে সরে আসে বর্তমান ক্ষমতাসীন বিএনপি সরকার।
পূর্ববর্তী আদেশ অনুযায়ী নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের দুটি আলাদা শপতের মাধ্যমে 'সংবিধান সংস্কার পরিষদ' গঠন করে ১৮০ কার্যদিবসের মধ্যে সংবিধান সংশোধন সম্পন্ন করার কথা থাকলেও বিএনপি সংসদ সদস্যরা পরিষদীয় শপত গ্রহণ পরিহার করেন। তাদের মতে, অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা বাস্তবায়ন আদেশটি আইনগতভাবে টিকসই নয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে সংসদীয় প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়েই সংবিধান সংশোধনের নতুন পদক্ষেপ হিসেবে ১২ সদস্যের বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে। তবে বিরোধী রাজনৈতিক জোটগুলো এই প্রক্রিয়াকে প্রত্যাখ্যান করায় এবং অন্তর্বর্তীকালীন অধ্যাদেশগুলোর মধ্যে কেবল কিছু প্রশাসনিক প্রস্তাব জাতীয় সংসদে অনুমোদিত হওয়ায় সংসংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্ব, বিচার বিভাগের পূর্ণ স্বাধীনতা কিংবা ক্ষমতার সুষম বণ্টনের মতো মূল সাংবিধানিক বিষয়গুলো এখনো রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা ও নতুন দ্বন্দ্বে স্থবির হয়ে আছে।
We may use cookies or any other tracking technologies when you visit our website, including any other media form, mobile website, or mobile application related or connected to help customize the Site and improve your experience.
learn more