মানিব্যাগ চুরির অপবাদে শিশু ও মাকে বেত্রাঘাতের অভিযোগ বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে
Date: 2026-09-22
প্রিন্ট এর তারিখ: ||প্রকাশের তারিখ: সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬, ২:১০ পি.এম
মানিব্যাগ চুরির অপবাদে শিশু ও মাকে বেত্রাঘাতের অভিযোগ বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে
অ-অ+
কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি:
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় মানিব্যাগ চুরির অপবাদ দিয়ে ১২ বছরের এক শিশু ও তার মাকে বাঁশের লাঠি দিয়ে মারধরের অভিযোগ উঠেছে উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট হাফিজুর রহমান চুন্নুর বিরুদ্ধে। এ ঘটনার একটি ভিডিও ফুটেজও পাওয়া গেছে।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, গত শুক্রবার রাতে উপজেলার চাকামইয়া ইউনিয়নের গামুরবুনিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। মারধরের পর ভয়ে তারা চার দিন ঘর থেকে বের হতে পারেননি। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে কলাপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
ভুক্তভোগী শিশুটির নাম জিসান (১২)। সে ওই গ্রামের মৃত বাচ্চু হাওলাদারের ছেলে। তার মা নাজমা বেগমের দাবি, মানিব্যাগ চুরির অভিযোগটি মূলত জমি বন্ধক রেখে নেওয়া এক লাখ টাকা ফেরত পাওয়ার লিখিত প্রমাণ চাওয়াকে কেন্দ্র করে করা হয়েছে।
নাজমা বেগম বলেন, প্রায় দেড় বছর আগে তার স্বামী বাচ্চু হাওলাদার মারা যান। এর আগে তিনি উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হাফিজুর রহমান চুন্নুর ছোট ভাই আবদুল হাইয়ের কাছে চার বিঘা জমি বন্ধক রেখে এক লাখ টাকা দেন। এ লেনদেনের কোনো লিখিত প্রমাণ ছিল না বলে দাবি করেন তিনি।
স্বামীর মৃত্যুর পর ওই টাকা লেনদেনের লিখিত কাগজ চাইলে চুন্নু ও তার ভাই ক্ষুব্ধ হন বলে অভিযোগ নাজমা বেগমের। বৃষ্টির কারণে সড়ক কর্দমাক্ত থাকায় চুন্নুর বাড়ির পাশ দিয়ে চলাচল করে তাদের বাড়িতে যেতে হতো বলেও জানান তিনি।
তার ভাষ্য, গত শুক্রবার চুন্নু ও তার ভাই তাকে এবং তার ছেলে জিসানকে বাড়িতে ডেকে নিয়ে মানিব্যাগ চুরির অপবাদ দেন। এরপর বাঁশের লাঠি দিয়ে তাদের মারধর করা হয়।
নাজমা বেগমের অভিযোগ, জমি বন্ধকের এক লাখ টাকা দেওয়ার লিখিত প্রমাণ চাওয়ায় ক্ষুব্ধ হয়ে তাদের ওপর হামলা করা হয়েছে।
তবে অভিযোগ অস্বীকার না করে ঘটনার বিষয়ে ভিন্ন বক্তব্য দিয়েছেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট হাফিজুর রহমান চুন্নু। তিনি বলেন, “ওই ছেলে আমার আত্মীয়। সে চোর এবং জাতীয়ভাবে চোর হিসেবে তৈরি হচ্ছে।”
ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে কলাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম বলেন, তিনি এ বিষয়ে অবগত নন। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
We may use cookies or any other tracking technologies when you visit our website, including any other media form, mobile website, or mobile application related or connected to help customize the Site and improve your experience.
learn more