তরুণকে আটকে ৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি, গ্রেপ্তার তিন
Date: 2026-06-28
প্রিন্ট এর তারিখ: ||প্রকাশের তারিখ: জুন ২৮, ২০২৬, ৫:৩৯ এ.এম
তরুণকে আটকে ৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি, গ্রেপ্তার তিন
অ-অ+
অনলাইন ডেস্ক:
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) এলাকার ভিসি চত্বরে এক তরুণকে আটকে রেখে ৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করার চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে। এই অভিযোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক এক শিক্ষার্থীসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে শাহবাগ থানা পুলিশ। ঘটনার সঙ্গে জড়িত আরও দুই অভিযুক্ত বর্তমানে পলাতক রয়েছেন।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত শুক্রবার রাতে রাজধানীর হাজারীবাগ এলাকা থেকে সাজিদ হাসান নামের এক তরুণ ও তার এক বন্ধুকে তুলে নিয়ে আসে একদল যুবক। তাদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি চত্বরে আটকে রাখা হয়। এরপর সাজিদের পকেট থেকে ইয়াবা উদ্ধারের নাটক সাজিয়ে একটি ভিডিও ধারণ করা হয়। সেই ভিডিওর ভয় দেখিয়ে সাজিদের পরিবারের কাছে ফোন করে ৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে অভিযুক্তরা। মুক্তিপণের ফোন পাওয়ার পরপরই সাজিদ হাসানের শ্বশুর মাসুম চৌধুরী জাতীয় জরুরি সেবা ‘৯৯৯’-এ কল করে বিষয়টি জানান। অভিযোগ পেয়ে শাহবাগ থানা পুলিশ দ্রুত ভিসি চত্বর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে হাতেনাতে তিনজনকে আটক করে। তবে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে বাকি দুজন ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। পরদিন শনিবার (২৭ জুন) ভুক্তভোগীর শ্বশুর মাসুম চৌধুরী বাদী হয়ে শাহবাগ থানায় একটি অপহরণ মামলা দায়ের করেন। পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে একজন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের স্নাতকোত্তর (মাস্টার্স) শ্রেণির শিক্ষার্থী, যার পড়াশোনা ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে। অন্যদিকে পলাতক দুজনের মধ্যে একজন বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের শিক্ষার্থী বলে জানা গেছে। তবে তাদের পরিচয় সম্পূর্ণ নিশ্চিত হতে আনুষ্ঠানিক যাচাই-বাছাই চলছে। এদিকে, সাজিদ হাসানের কাছ থেকে মাদক উদ্ধারের দাবির প্রেক্ষিতে তাকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের আওতায় ভ্রাম্যমাণ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর সহযোগী অধ্যাপক মো. ইসরাফিল রতন সংবাদমাধ্যমকে জানান, ঘটনার পর তারা বিষয়টি জানতে পেরেছেন। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে একজন ঢাবির সাবেক শিক্ষার্থী ছিলেন। ৯৯৯ নম্বর থেকে তথ্য পেয়ে পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করেছে। এটি যেহেতু সম্পূর্ণ আইনি বিষয়, তাই পুলিশ আইনগত ব্যবস্থা নেবে এবং বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এতে কোনো হস্তক্ষেপ করবে না। শাহবাগ থানা পুলিশ জানিয়েছে, পুরো ঘটনাটি অপহরণের আওতাভুক্ত হওয়ায় নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে। চক্রের বাকি সদস্যদের গ্রেপ্তার করতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তাদের ধরা সম্ভব হলে এই চক্রের পেছনে আর কারা জড়িত, সে বিষয়ে আরও বিস্তারিত জানা যাবে। তথ্য: ইত্তেফাক/ বিডিফেস মেহেদী হাসান
We may use cookies or any other tracking technologies when you visit our website, including any other media form, mobile website, or mobile application related or connected to help customize the Site and improve your experience.
learn more