প্রিন্ট এর তারিখ: ||প্রকাশের তারিখ: জুন ২৬, ২০২৬, ২:৫০ এ.এম
জার্মানি বনাম ইকুয়েডর: রূপকথার জয়
অ-অ+
অনলাইন ডেস্ক:
২০২৬ বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বের শেষ রাউন্ডে মাঠে নেমেছিল রোমাঞ্চকর এক রাত। যেখানে চারবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন জার্মানিকে স্তব্ধ করে ২-১ গোলের ঐতিহাসিক জয় তুলে নিয়েছে লাতিন আমেরিকার দল ইকুয়েডর। অন্যদিকে, রাতের অন্য ম্যাচে কুরাসাওকে ২-০ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো নকআউট (শেষ ৩২) নিশ্চিত করে নতুন ইতিহাস গড়েছে আইভরিকোস্ট।
গ্রুপ পর্বের প্রথম দুই ম্যাচে দুর্দান্ত খেলেও মাত্র ১ পয়েন্ট পাওয়া ইকুয়েডরের জন্য এই ম্যাচটি ছিল বাঁচা-মরার লড়াই। নিউ জার্সির স্টেডিয়ামে ম্যাচের শুরুতেই লিরয় সানের চমৎকার গোলে এগিয়ে যায় জার্মানি। তবে লিড বেশিক্ষণ ধরে রাখতে পারেনি তারা। ম্যাচের ঠিক ৯ মিনিটের মাথায় নিলসন আনহুলোর গোলে সমতায় ফেরে ইকুয়েডর। ১-১ সমতায় প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার পর দ্বিতীয়ার্ধে জার্মানির সাথে সমানতালে লড়ে যায় লাতিন দলটি। ম্যাচের ৭৭ মিনিটে কর্নার থেকে উড়ে আসা বলে পা ছুঁইয়ে জয়সূচক গোলটি করেন ইকুয়েডর ফরোয়ার্ড গঞ্জালো প্লাতা। যোগ করা সময়ে ইকুয়েডরের সমর্থকদের চোখে আনন্দাশ্রু আর শেষ বাঁশি বাজার পর মাঠের উন্মাতাল উদযাপনে তৈরি হয় নতুন এক ইতিহাস। বিশ্বকাপের ইতিহাসে জাপান ছাড়া ইউরোপের বাইরে মাত্র দ্বিতীয় দল হিসেবে জার্মানির বিপক্ষে পিছিয়ে পড়েও ম্যাচ জেতার কীর্তি গড়ল ইকুয়েডর। এর আগে লাতিন আমেরিকার মাত্র তিনটি দল (ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা ও মেক্সিকো) বিশ্বকাপে জার্মানিকে হারাতে পেরেছিল, এবার সেই তালিকায় যুক্ত হলো ইকুয়েডরের নাম। এই জয়ের ফলে ৩ ম্যাচে ৪ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় সেরা দলগুলোর তালিকায় শীর্ষে থেকে ২০০৬ সালের পর আবারও নকআউটে পা রাখল ইকুয়েডর। তবে হারলেও গোল ব্যবধানে এগিয়ে থেকে 'ই' গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন হয়েই নকআউটে যাচ্ছে জার্মানি। আইভরিকোস্টের নতুন ইতিহাস রাতের অন্য ম্যাচে কুরাসাওয়ের মুখোমুখি হয়েছিল আইভরিকোস্ট। নকআউট নিশ্চিত করতে তাদের প্রয়োজন ছিল মাত্র ১ পয়েন্ট। তবে ড্র নয়, সরাসরি জয়েই রাউন্ড অব থার্টি-টু নিশ্চিত করেছে আফ্রিকার 'হাতি'রা। দলের পক্ষে জোড়া গোল করে নায়ক বনে যান সাবেক আর্সেনাল ফরোয়ার্ড নিকোলাস পেপে। ম্যাচের মাত্র ৭ মিনিটে কুরাসাও ডিফেন্সের ভুলে বল পেয়ে প্রথম গোলটি করেন পেপে। এরপর ৬৫ মিনিটে নিখুঁত এক বাঁ পায়ের শটে দলের দ্বিতীয় গোল এনে দেন তিনি। ২-০ গোলের এই জয়ের মাধ্যমে নিজেদের বিশ্বকাপ ইতিহাসে প্রথমবারের মতো গ্রুপ পর্বের বাধা টপকে নকআউটে খেলার টিকিট পেল আইভরিকোস্ট। একই সাথে এক আসরে দুটি ম্যাচ জেতার নতুন রেকর্ডও গড়ল তারা। ৩ ম্যাচে ৬ পয়েন্ট নিয়ে রানার্সআপ দল হিসেবে নকআউটে পা রাখল আইভরিকোস্ট।
We may use cookies or any other tracking technologies when you visit our website, including any other media form, mobile website, or mobile application related or connected to help customize the Site and improve your experience.
learn more