প্রিন্ট এর তারিখ: ||প্রকাশের তারিখ: জুলাই ০৩, ২০২৬, ২:০৩ পি.এম
আর্জেন্টিনার বিশেষ সুবিধা পাওয়ার অভিযোগ বিশ্বকাপে
অ-অ+
অনলাইন
ডেস্ক:
বিশ্বকাপে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনাকে রেফারি ও আয়োজকদের পক্ষ থেকে বিশেষ সুবিধা বা 'ফেভারিটিজম' দেওয়া হচ্ছে—এমন গুঞ্জন ফুটবল দুনিয়ায় নতুন নয়। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের গণ্ডি পেরিয়ে এই স্পর্শকাতর বিতর্ক এবার সরাসরি আছড়ে পড়ল ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নদের
অফিসিয়াল সংবাদ সম্মেলনে। আর এমন প্রশ্নে বেশ ক্ষুব্ধ ও সোজাসাপ্টা জবাব দিয়েছেন আলবিসেলেস্তেদের মাস্টারমাইন্ড
কোচ লিওনেল স্কালোনি। সমালোচকদের উদ্দেশ্যে তার সাফ পরামর্শ, "সোশ্যাল মিডিয়া দেখা বন্ধ করে দিন, ব্যস।" বিশ্বকাপের রাউন্ড অব থার্টি-টু (৩২ দলের পর্ব) ম্যাচে কেপ ভার্দের মুখোমুখি হওয়ার আগে আনুষ্ঠানিক প্রেস কনফারেন্সে আসেন স্কালোনি। সেখানে এক সাংবাদিক সরাসরি প্রশ্ন তোলেন—টুর্নামেন্টে
আর্জেন্টিনাকে বাড়তি কোনো সুবিধা দেওয়া হচ্ছে কি না। উত্তরে কোনো রকম লুকোছাপা না করে স্কালোনি বলেন, "এর একমাত্র সমাধান হলো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম
না পড়া। আপনি যদি এসব না দেখেন, তবে এই অবান্তর বিষয়গুলো জানতেও পারবেন না। লাইক, কমেন্ট আর ভিউয়ের এই যুগে যে কেউ কোনো প্রমাণ ছাড়াই ইন্টারনেটে কিছু পোস্ট করতে পারে এবং খুব ছোট বিষয়কে তিল থেকে তাল করতে পারে।" আর্জেন্টাইন কোচের মতে, মাঠের ভেতরে দলের কঠোর পরিশ্রম ও ধারাবাহিক সাফল্যকে আড়াল করতেই উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এমন 'সস্তা' অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। তিনি মনে করিয়ে দেন, আলবিসেলেস্তেদের বর্তমান অবস্থান কারও দয়া বা অনুকম্পার ফল নয়। মাঠের লিওনেল মেসি থেকে শুরু করে ড্রেসিংরুমের সাধারণ কিটম্যান মারিও দে স্তেফানো পর্যন্ত—সবার সমান ত্যাগ ও নিবেদিত পরিশ্রমের ফসল এই আজকের সাফল্য। ইন্টারনেটের অন্ধকার দিক নিয়ে বিরক্তি প্রকাশ করে স্কালোনি আরও যোগ করেন, "সোশ্যাল মিডিয়ায় দুর্ভাগ্যবশত
যে কেউ যা খুশি তাই পোস্ট করতে পারে এবং তা মুহূর্তের মধ্যে ভাইরাল হয়ে যায়। তবে আমরা এসবের দিকে মোটেও কান দিচ্ছি না, আমাদের পুরো ফোকাস মাঠের খেলায়।" উল্লেখ্য, বিশ্বকাপের ‘সারপ্রাইজ প্যাকেজ’ কেপভার্দের বিপক্ষে আজ বাংলাদেশ সময় দিবাগত ভোর রাত ৪টায় মাঠের লড়াইয়ে নামবে লিওনেল স্কালোনির শিষ্যরা। মাঠের বাইরে চলা এই বিতর্ককে পেছনে ফেলে বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা মাঠের পারফরম্যান্সে কতটা মনোযোগ ধরে রাখতে পারে, এখন সেটাই দেখার বিষয়। তথ্য:
ইত্তেফাক/ বিডিফেস মেহেদী
হাসান
We may use cookies or any other tracking technologies when you visit our website, including any other media form, mobile website, or mobile application related or connected to help customize the Site and improve your experience.
learn more